দুই সেঞ্চুরির ম্যাচে জয়ের হাসি রংপুরের

এর মধ্য দিয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের এবারের যাত্রা শেষ হল স্রেফ দুই জয়ের সন্তুষ্ট থেকে। অন্যদিকে রংপুর রাইডার্সকে বসে যেতে হবে পরিকল্পনার ছক নিয়ে।

একই ম্যাচে দুই সেঞ্চুরি। তবে আফগান হাসান ইসাখিলকে ছাপিয়ে জয়ের আনন্দে ভেসে উঠলেন তাওহীদ হৃদয়। অল্পতেই গালাগাল দেওয়ার মিরপুরের উইকেটে দাঁড়িয়েও রংপুর রাইডার্স তুলে নিল দারুণ জয়। বড় রান হল, সে রান তাড়াও হল, নোয়াখালীর বিদায় বেলায় আরও এক বিষাদ যুক্ত হল।

নোয়াখালী এক্সপ্রেস ও রংপুর রাইডার্সের মধ্যকার ম্যাচটি ছিল কেবলই নিয়ম রক্ষার। এই ম্যাচের জয় পরাজয়ে রংপুরেরও বিশেষ কোন ফায়দা ছিল না। আর অন্যদিকে নোয়াখালীর বিদায় তো বহু আগেই লেখা হয়ে গিয়েছিল। তবুও দুই দল যেন দর্শকদের আনন্দে ভাসাতে চাইলেন। সেই ভাবনার জোয়ার শুরু হয় হাসান ইসাখিলের ব্যাটে। ১১ খানা ছক্কার মারে তিনি সেঞ্চুরির আক্ষেপ ঘোচালেন।

৭২ বলে ১০৭ রানে অপরাজিত থেকেছেন, হায়দার আলীর সাথে অবিচ্ছেদ্য ১৩৭ রানের জুটি গড়ে দলকে এনে দিলেন ১৭৩ রানের দারুণ পুঁজি। এদিন রংপুরের অভিজ্ঞ বোলিং ইউনিটকেও খাপছাড়া ঠেকেছে। নাহিদ রানা ও আলিস আল ইসলাম ছাড়া বাকি সবাই থেকেছেন উইকেট শূন্য।

এমন ব্যাটিং দাপট যেন তাওহীদ হৃদয়ের খুব একটা হয়নি পছন্দ। তিনিও তাই আক্ষেপ ঘোচানোর ব্রত নিয়ে মাঠে নামলেন। তুলেও নিলেন সেঞ্চুরি। বিপিএল ক্যারিয়ারে এটি তার দ্বিতীয় সেঞ্চুরি। তার আর ডেভিড মালানের জুটি ১৭৪ রানের বেশ হৃদপুষ্ট লক্ষ্যমাত্রাকেও সহজ বানিয়েছে রংপুরের জন্য। ১০৯ রানে হৃদয় আউট হলেও জয় পেতে কষ্ট করতে হয়নি রংপুরকে। যদিও খেলা গড়িয়েছিল শেষ ওভারে।

এর মধ্য দিয়ে নোয়াখালী এক্সপ্রেসের এবারের যাত্রা শেষ হল স্রেফ দুই জয়ের সন্তুষ্ট থেকে। অন্যদিকে রংপুর রাইডার্সকে বসে যেতে হবে পরিকল্পনার ছক নিয়ে। তাদের যে ফাইনালে যেতে হলে দুই বাঁধা টপকাতে হবে। পথটা বেশ কঠিন বটে।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link