রুবেলের ভেলকিতে কুপোকাত নেপাল!

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে স্পিন ভেলকি দেখা গেল। যা নেপালের ব্যাটিং অর্ডারকে ধুলোয় মিশিয়ে দিল। যিনি সেই ভেলকি দেখালেন তিনি মোহাম্মদ রুবেল। সুযোগ পেলেই সেটাকে কাজে লাগানোই যার কাজ।

টপ এন্ড টি-টোয়েন্টিতে স্পিন ভেলকি দেখা গেল। যা নেপালের ব্যাটিং অর্ডারকে ধুলোয় মিশিয়ে দিল। যিনি সেই ভেলকি দেখালেন তিনি মোহাম্মদ রুবেল। সুযোগ পেলেই সেটাকে কাজে লাগানোই যার কাজ।

বাংলাদেশ হাই পারফরম্যান্সের আমন্ত্রণে শুরুতেই ব্যাটিংয়ে নামে নেপাল। বড় স্কোরের স্বপ্ন দেখা খুব বেশি অপরাধ নয় তখনও। তবে প্রথম ওভারেই রাহনাত দৌলা বর্ষণ বুঝিয়ে দিলেন না, বড় সংগ্রহ নেপালকে করতে দেওয়া হবে না।

এরপর দৃশ্যপটে শুধুই রুবেল। টাইট লাইন-লেন্থ বজায় রেখে শিকারের নেশায় মত্ত হয়ে উঠলেন। আর একে একে নেপালের ব্যাটাররা আত্মসমর্পণ করল তার সামনে। প্রথম ওভারে এসেই এক উইকেট বাগিয়ে শুরু। দ্বিতীয় ওভারে দুই আর শেষটাতে এক, সবমিলিয়ে চার উইকেট ঝুলিতে গেছে তার। খরচা করেছেন ১৮ রান।

রুবেলের ঘূর্ণিতেই মূলত কোনঠাসা হয়ে পড়ে নেপাল। ১৩ রানের মধ্যেই পাঁচ উইকেট খুইয়ে রীতিমতো বিপর্যস্ত হয়ে পড়ে তারা। তবে সেই চাপটা সামাল দেওয়ার চেষ্টা করেছিলেন কুশল ভুর্টেল। সর্বোচ্চ ৪৬ রান আসে তার কাছ থেকে। তিনিও থেমেছেন রুবেলের শিকার হয়ে।

এমন দুর্ধর্ষ বোলিংয়ের পর যে প্রতিপক্ষের জন্য কিছুই থাকে না। ছিলও না। ৯৯ রানেই শেষ হয় নেপালের ইনিংস। যদিও শুরুতে ৫০ পার হওয়াটাই কঠিন হয়েছিল। তবে সেই ধকল সামলে মান বাঁচিয়েছে নেপাল কোনোমতে। আর সব আলোটা গিয়ে পড়েছে রুবেলের ঘূর্ণিঝড়ে।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link