আহমেদাবাদে চলছিল রায়ান রিকেলটন ঝড়। যেই মুহূর্তে তিনি ফিরলেন প্যাভিলিয়নে, সেই মুহূর্ত থেকেই যেন থমকে যায় দক্ষিণ আফ্রিকার রান তোলার গতি। মারকুটে সব ব্যাটার থাকা সত্ত্বেও শেষের সাত ওভারে স্রেফ ৬০ রান নিতে সক্ষম হয়েছে প্রোটিয়ারা। রিকেলটনের বিদায় ঘটিয়ে রানের লাগাম টেনে ধরে আফগানিস্তান।
এদিন প্রোটিয়া ওপেনার কুইন্টন ডি কক হাফসেঞ্চুরি করলেন। তিনি যখন একটা পাশে একটু ধীরলয়েই চালাচ্ছিলেন ব্যাট, তখন আরেকটা পাশে দারুণ প্রতাপ বিস্তার করে যাচ্ছিলেন রায়ান রিকেলটন। আফনিস্তানের স্পিন ডিপার্টমেন্টকে একাহাতেই সামলে নিচ্ছিলেন তিনি। মোহাম্মদ নবী থেকে রশিদ খান, সবার বলেই বাউন্ডারি আদায় করেছেন রিকেলটন।

মাত্র ২৮ বলের ইনিংসটিতে তার নামের পাশে যুক্ত হয়ে যায় ৬১ রান। চারটি ছক্কা আর, পাঁচটি চারে ২১৭ স্ট্রাইকরেটের প্রলয়। তাতে করে ২০০ ছাড়ানো একটা লক্ষ্যমাত্রার দিকেই ছিল দক্ষিণ আফ্রিকার নজর। ডি কক ও রিকেলটনের কল্যাণে ১৩ ওভারে প্রোটিয়াদের স্কোরবোর্ডে ওঠে ১২৭ রান। দু’জনের যুগলবন্দী থেকে আসে ১১৪ রান, যথারীতি রিকেলটনই ছিলেন অধিক আক্রমণাত্মক।
কিন্তু বিপত্তি ঘটে রিকেলটনের বিদায়ের পর। ডেভিড মিলার, ডেওয়াল্ড ব্রেভিস, ট্রিস্টান স্টাবসের মত ব্যাটাররা খানিকটা বিপাকেই পড়ে যায় আফগানিস্তানের বোলিং ইউনিটের সামনে। রানের ফোয়ারায় পানির অভাব দেখা দেয় রিকেলটনের বিদায়ের পরপরই। তাতে করে শেষের সাত ওভারে সর্বসাকুল্যে ৬০ রান নিতে সক্ষম হয় দক্ষিণ আফ্রিকা। মার্কো ইয়ানসেন শেষ দিকে স্বল্প সময়ের আগ্রাসন প্রদর্শন না করলে, ততটুকুও হতো কি-না সন্দেহ।

এই বিষয়টিই হতে পারে দক্ষিণ আফ্রিকার দুশ্চিন্তার কারণ। দল নামের ভারি ব্যাটারের অভাব নেই। সক্ষমতা নিয়েও প্রশ্ন নেই। কিন্তু কাজের সময় যদি তারা নিয়ম করে ব্যর্থ হয়, তবে আর যাই হোক চ্যাম্পিয়ন হওয়া ভীষণ কষ্টকর হয়ে দাঁড়াবে গতবারের রানার্সআপ দলটির জন্য।











