সাইফের টানা ব্যর্থতা, শেষ ম্যাচে ফিরবেন কি সৌম্য!

পাকিস্তানের বিপক্ষেও প্রথম দুই ম্যাচে একই দশা, তাই তো প্রশ্নটা—শেষ ম্যাচেও কি সাইফের ওপর ভরসা করা হবে, নাকি ফিরবেন সৌম্য সরকার?

যেভাবে আশার ফানুস উড়িয়ে ওয়ানডেতে সাইফ হাসানের আগমন ঘটেছিল, সেই আশাটা কি এখনও আছে? না, নেই। একদিনের ক্রিকেটে এক ইনিংস বাদ দিলে বলার মতো কিছুই করতে পারেননি। ‘টানা ব্যর্থ’ শব্দটার ব্যবহার এখানে যুক্তিযুক্ত। পাকিস্তানের বিপক্ষেও প্রথম দুই ম্যাচে একই দশা, তাই তো প্রশ্নটা—শেষ ম্যাচেও কি সাইফের ওপর ভরসা করা হবে, নাকি ফিরবেন সৌম্য সরকার?

ওপেনিং জুটির সমস্যা তো আর নতুন কিছু না বাংলাদেশের জন্য। আদিকাল থেকেই একই ধারা বহমান। একজনই পারফর্ম করেন। সেই নীতিতে বলিয়ান হয়ে এখন দায়িত্ব নিয়ে খেলছেন তানজিদ হাসান তামিম। পাকিস্তানের বিপক্ষে দ্বিতীয় ম্যাচে না পারলেও প্রথমটিতে খেলেছিলেন তামিমসুলভ ৬৭ রানের ইনিংস। অপরপ্রান্তে দুই ম্যাচেই ব্যর্থতার গ্লানি নিয়ে  সাইফ ফিরেছেন ড্রেসিংরুমে।

পাকিস্তান সিরিজের প্রথম দুই ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে যথাক্রমে চার এবং ১২ রান। টানা দুই ম্যাচেই যে মোটা দাগে ব্যর্থ, তা আর বলার অপেক্ষা রাখে না। শুধু এই দুই ম্যাচে তাঁর হিসাব টানলে অনেকেই নারাজ হবেন হয়তো। ওয়ানডে ক্যারিয়ারের দিকে তাকালে পরিসংখ্যান যে স্বস্তিদায়ক নয়।

আট ম্যাচ খেলে ফেলেছেন, ২৪ গড়ে ব্যাট থেকে এসেছে ১৯৬ রান। নামের পাশে একটাই ফিফটি আছে—ওয়েস্ট ইন্ডিজের বিপক্ষে ৮০ রানের ইনিংস। আর এক ম্যাচে ৪৩ এসেছিল ব্যাট থেকে। এই দুটোই কেবল বলার মতো ইনিংস। বাকি ছয় ম্যাচে রান সংখ্যা মোটে ৭৩। এমন মলিন পারফরম্যান্সের পর বিকল্প থাকা সত্ত্বেও  নিশ্চয় ম্যানেজমেন্ট শেষ ম্যাচে তাঁর ওপর ভরসা করবে না।

সেক্ষেত্রে সৌম্যর ফেরাটাই এখন সমীচীন। যদিও সাম্প্রতিক সময়টা খুব একটা ভালো যাচ্ছে না তারও। তবে সর্বশেষ ওয়েস্ট ইন্ডিজ সিরিজের শেষ ম্যাচে তাঁর ব্যাট থেকেও এসেছিল ৯১ রানের ঝকঝকে এক নক। অবশ্য কথা ছিল পাকিস্তান সিরিজেও ওপেন করবেন শুরু থেকেই। তবে তামিমকে সুযোগ দিতেই বসতে হয়েছে বেঞ্চে। সাইফের ব্যর্থতায় সিরিজ নির্ধারণী ম্যাচে ভাগ্যের তালা খুললেও খুলতে পারে।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link