আইপিএল পারিশ্রমিকের একাল-সেকাল: পার্থক্যটা আকাশ-পাতাল

২০০৮ সালে প্রথম যখন ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) চালু হয় তখনই ক্রিকেটারদের আকাশচুম্বি পারিশ্রমিক দেওয়া হয়েছিল। এরপর জল গড়িয়েছে বহুদূর। আইপিএল এখন ক্রিকেট বিশ্বের সবচেয়ে আভিজাত্যপূর্ণ ও অর্থবহুল ফ্র্যাঞ্চাইজি ভিত্তিক টি-টোয়েন্টি টুর্নামেন্ট। সময়ের সাথে সাথে ক্রিকেটারদের পারিশ্রমিকও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে।

  • বিরাট কোহলি (ভারত)

আইপিএলে মাত্র ২০ লাখ রুপি পেয়ে শুরু করেছিলেন বিরাট কোহলি। তখন অনূর্ধ্ব ১৯ দলের খেলোয়াড় হয়ে খেলতে এসেছিলেন। কোহলির ঠিকানা রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরু না পাল্টালেও তাঁর পারিশ্রমিক ফুলে ফেঁপে উঠেছে। ২০১৮ সালের নিলামেই আরসিবি জানিয়েছে, পরের তিনটি মৌসুমে ১৭ কোটি রুপি করে পারিশ্রমিক পাবেন কোহলি।

  • মহেন্দ্র সিং ধোনি (ভারত)

চেন্নাই সুপার কিংসের ধোনি শুরু থেকেই আইপিএল বড় অংকের পারিশ্রমিক নিয়ে এসেছেন। ২০০৮ সালে সাবেক এই ভারতীয় অধিনায়ক নেন ছয় কোটি রুপি। এখন নামের আগে ‘সাবেক’ তকমা লেগে গেলেও পারিশ্রমিক বেড়ে ১৫ কোটি রুপিতে গিয়ে ঠেকেছে।

  • রোহিত শর্মা (ভারত)

২০০৮ সালে রোহিত শর্মা ঠিক আজকের মত সুপার স্টার ছিলেন না। প্রথম আসরে ডেকান চার্জার্স তাঁকে তিন কোটি রুপিতে কিনেছিল। ১২ বছর পর ২০২০ সালে এসে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স থেকে তিনি ১৫ কোটি রুপি পান।

  • এবি ডি ভিলিয়ার্স (দক্ষিণ আফ্রিকা)

৩৬০ ডিগ্রি খ্যাত ডি ভিলিয়ার্স তাঁর সামর্থ্যের তুলনায় অনেক কম পারিশ্রমিক পেয়েছিলেন ২০০৮ সালে। ১.২ কোটি রুপির বিনিময়ে তাঁকে কিনেছিল দিল্লী ডেয়ারডেভিলস (অধুনা দিল্লী ক্যাপিটালস)। এখন তিনি খেলেন রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুতে।২০২০ সালে পারিশ্রমিক হিসেবে গুনেছেন ১১ কোটি রুপি।

  • ডোয়াইন ব্রাভো (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

টি-টোয়েন্টির ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা তারকা ব্রাভো আইপিএলের প্রথম আসরের নিলামে অবিক্রিত ছিলেন। পরে মুম্বাই ইন্ডিয়ান্স তাঁকে লঙ্কান পেসার লাসিথ মালিঙ্গার বদলি হিসেবে নেয়। পারিশ্রমিক হিসেবে ৬০ লাখ ২৪ হাজার রুপি পান তিনি। অথচ, ২০২০ সালে চেন্নাই সুপার কিংস ৩৬ বছর বয়সী এই ক্যারিবিয়ানকে দিচ্ছে ৬.৪ কোটি রুপি।

  • রবিচন্দ্রন অশ্বিন (ভারত)

প্রথম আসরের নিলামেই উঠেনি অশ্বিনের নাম। তবে, বোর্ড অব কনট্রোল ফর ক্রিকেট ইন ইন্ডিয়ার (বিসিসিআই) বিশেষ অনুমতিতে নিলামের বাইরে থেকে মাত্র ১২ লাখ রুপিতে তাঁকে কিনে নেয় সিএসকে। আর ২০২০ সালে দিল্লী ক্যাপিটালস থেকে ৭.৬ কোটি রুপি।

  • ক্রিস গেইল (ওয়েস্ট ইন্ডিজ)

বরাবরই গেইল আইপিএলের অন্যতম বড় আকর্ষণ। ২০০৮ সালে খেলেন কলকাতা নাইট রাইডার্সে। পারিশ্রমিক পান ৩.২ কোটি রুপি। এখন অবশ্য গেইলের আগের সুদিন নেই। তারপরও কিংস ইলেভেন পাঞ্জাব তাঁকে দুই কোটি রুপি দিয়েছে ২০২০ সালে।

  • শিখর ধাওয়ান (ভারত)

২০০৮ সালে ধাওয়ান ছিলেন অনভিষিক্ত ক্রিকেটার। নিলামের বাইরে থেকে দিল্লী তাঁকে কিনেছিল মাত্র ১২ লাখ রুপিতে। এবার আবারো সেই একই দলে ফিরেছেন ধাওয়ান। ২০২০ সালে পারিশ্রমিক পাবেন ৫.২ কোটি রুপি।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link