টার্গেট ছোট। দলের সেরা বোলারকে এগিয়ে আসতেই হতো। অধিনায়ক হিসেবে শাহীন শাহ আফ্রিদির তো ছিল বাড়তি দায়িত্ব। শাহীন বুক চিতিয়ে দাঁড়িয়ে গেলেন। ঘোর অন্ধকারের মাঝেও দলকে পথ দেখালেন। স্বল্প লক্ষ্যমাত্রায় তৃপ্তির ঢেঁকুর তোলা করাচি কিংসের ব্যাটারদের বিপাকে ফেলে দিলেন।
নতুন বল হাতে শাহীন আফ্রিদি ভীষণ ভয়ংকর। তাকে দমিয়ে রাখা দুষ্কর। ছন্দে থাকলে তিনি এক ওভারের মধ্যেই সৃষ্টি করতে পারেন সংশয়। যে সংশয়ের ধুম্রজালে শাহীন আটকে ফেলেছিলেন করাচি কিংসকে। এক বলের ব্যবধানে ডেভিড ওয়ার্নার ও সালমান আলী আঘা ফেরেন প্যাভিলিয়নে।

স্বল্প পুঁজির দুশ্চিন্তা মাথা থেকে ঝেড়ে ফেলে শুরুতেই শাহীন করাচিকে ম্যাচ থেকে ছিটকে ফেলতে চাইলেন। সেই পরিকল্পনা থেকে পাওয়ার প্লে-র মধ্যে নিজে তিন ওভার করে ফেললেন। ক্যাপ্টেন লিডিং ফ্রম দ্য ফ্রন্ট বলতে যা বোঝায় আরকি। সফলতা এসেছে তার দ্বিতীয় ওভারে। তবে ওই স্পেলে তিনি ছিলেন হাড়কিপটে।
তিন ওভারে দিয়েছিলেন মোটে ১২ রান। এরপর নিজের ওভারটাকে রেখে দিলেন। মুহাম্মদ ওয়াসিম ও মঈন আলীর জুটিটা যখন জমে ক্ষীর হয়ে গেছে- তখন তিনি আবার এলেন বল হাতে। এসেই ফেরান মুহাম্মদ ওয়াসিমকে। ওই ওভারের শেষ বলে মঈনকে ফেরালেন প্যাভিলিয়নে। ম্যাচের লাগাম তখন প্রায় চলেই আসে লাহোর কালান্দার্সের হাতের নাগালে।

কিন্তু শেষ অবধি হিসেব-নিকেশ সব পালটে যায়। বলের আকৃতি পরিবর্তনের অভিযোগে পাঁচ রানের পেনাল্টিতে ম্যাচ হারে লাহোর কালান্দার্স। তবে এদিন শাহীনের সাহস ও সক্ষমতার প্রদর্শনকে বাহবা না দেওয়ার উপায় অবশ্য নেই। সর্বোচ্চ চেষ্টাই তিনি করেছেন রোমাঞ্চকর ম্যাচটার শেষে বিজয়ী হতে।










