প্রতিভা আছে, কিন্তু কাজে লাগাতে পারেন না। শাহিবজাদা ফারহানের বিপক্ষে এই অভিযোগ পুরনো। সেই পুরনো অভিযোগের উচিৎ জবাব দিলেন এবার এই ওপেনার। ফখর জামানের জায়গায় খেলতে নেমে টি-টোয়েন্টি আন্তর্জাতিকে নিজের সেরা ইনিংসটা খেললেন তিনি।
অবশ্য পা হড়কেছিল এবারও, প্রথম ওভারেই মেহেদী হাসান মিরাজের বলে ক্যাচ তুলে দিয়েছিলেন। কিন্তু, ঝাপ দিয়েও ধরতে পারেননি তানজিদ হাসান তামিম। বাংলাদেশের এই ভুলের সুযোগ পুরোটাই নিয়েছেন শাহিবজাদা।

ছয়টি ছক্কা আর চারটি চারের সৌজন্যে বাংলাদেশের বোলারদের হাহাকারের কারণ হয়েছেন তিনি। একটি চমৎকার পিএসএল মৌসুমের পর জাতীয় দলের ফিরে আবারও নিজেকে চেনালেন শাহিবজাদা ফারহান। ৪১ বলে ৭৪ রান করেন।
সর্বশেষ পাকিস্তান সুপার লিগে (পিএসএল) ছিলেন সর্বোচ্চ রান সংগ্রাহক ছিলেন তিনি। ইসলামাবাদ ইউনাইটেডের প্রাণভোমরা ছিলেন। এমনকি ফাইনালে লাহের কালান্দার্সের বিপক্ষেই খেলেছিলেন ৫২ রানের ইনিংস। শিরোপা জিততে পারেননি।

সেই কষ্টটা এবার জাতীয় দলের হয়ে ফিরিয়ে দেওয়ার পালা। লাহোরের সেই গাদ্দাফি স্টেডিয়ামেই তাঁর ব্যাটে ভর করে এগিয়েছে পাকিস্তানের ইনিংস। এই সাজানো বাগানে দাঁড়িয়ে পরে হাফ সেঞ্চুরি পান হাসান নাওয়াজ। রানটা আরও বেশি হতে পারত। শেষ চার ওভারে বাংলাদেশ মাত্র ৩২ রান হজম করে। সেটা না হলে রানটা অন্তত ২২০ পর্যন্ত হতে পারত। কিন্তু, এবারও গেল ম্যাচের মত ২০১-এ থামে পাকিস্তান।










