টেস্ট চুক্তি থেকে বাদ যাচ্ছেন সাকিব!

সাকিব আল হাসানের ব্যাপারে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড (বিসিবি) এখন একটু কঠিন পথেই হাঁটতে চলেছে। জোর গুঞ্জন আছে, তাঁকে আর টেস্টের জন্য বিবেচনা না করার কথা ভাবছে বোর্ড। মোটামুটি নিশ্চিত করেই বলা যায় যে, তিনি টেস্টের চুক্তিতে নিজের জায়গা হারাচ্ছেন। এই ব্যাপারে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হবে বোর্ড সভায়।

গেল বছর আইসিসির নিষেধাজ্ঞার কারণে কেন্দ্রীয় ‍চুক্তিতে ছিলে না বিশ্বের অন্যতম সেরা এই অলরাউন্ডার। নতুন বছরের ‍চুক্তি এখনও ঘোষণা করেনি দেশের ক্রিকেটের সর্বোচ্চ নিয়ন্ত্রক এই সংস্থা। তবে, সব কিছু ঠিক ঠাক থাকলে সাকিবের সব ফরম্যাটের ‍চুক্তিতেই থাকার কথা।

তবে, এরই মধ্যে ঘটনা অন্য দিকে মোড় নেয়, যার সূত্রপাত গেল শুক্রবার। খবর আসে, ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) খেলতে বোর্ডের কাছ থেকে ছুটি চেয়েছেন সাকিব। অথচ সেই সময়েই, মানে এপ্রিলে শ্রীলঙ্কায় দুই টেস্টের সফরে যাবে বাংলাদেশ দল্ বিসিবি সাকিবের ছুটি মঞ্জুর করেছে। সংস্থাটির মুখপাত্রের কথাতে এটা স্পষ্ট ছিল যে, সাকিব অনেকদিন হল টেস্ট খেলতে অনীহা প্রকাশ করছেন সাকিব। সেজন্য এবার তাঁকে ছাড় দেওয়া হয়েছে। অন্য কেউ ছুটি হলেও তাঁর ক্ষেত্রেও একই পন্থা অবলম্বন করবে বিসিবি।

এর ফলে, সাকিবের ব্যাপারে নতুন করে ভাবার সুযোগ হয় বোর্ডের। গত দুই তিন ধরে বিসিবির কর্মকর্তারা নিজেদের মধ্যে আলাপ করেছেন। প্রকাশ্যেও কেউ কেউ বলেছেন যে – এখন টেস্টের চুক্তি থেকে সাকিবের নাম কর্তনের সময় চলে এসেছে।

এই ব্যাপারে সোমবার বোর্ডে এক বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হবে। সেখানে ক্রিকেট অপারেশন্সের প্রধান ও সাবেক অধিনায়ক আকরাম খান, বিসিবির প্রধান নির্বাহী নিজামউদ্দীন চৌধুরী সুজন থাকবেন, আরো থাকবেন বোর্ডের তিন সদস্যের নির্বাচক প্যানেল। কেন্দ্রীয় চুক্তির ব্যাপারে সেখানে বিস্তারিত আলোচনা হবে।

জানা গেছে, একটা খসড়া তালিকা এরই মধ্যে বানানো হয়েছে। সেকানে সাকিবের নাম নেই। সিদ্ধান্ত নেমে ক্রিকেট অপারেশন্স কমিটি। সিদ্ধান্ত বলতে, তারা করবে সুপারিশ। সেটা যাবে বোর্ড সভাপতির হাতে। আর বোর্ড সভাপতি বোর্ড সভায় নেবেন চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত। ফলে, বলা যায় সাকিবের টেস্ট ভাগ্য ঝুলে আছে বোর্ড সভার হাতে।

বোর্ড এবার ফ্র্যাঞ্চাইজি ক্রিকেট ইস্যুতে খুবই ‍সিরিয়াস। যারা তিনটি ফরম্যাটই খেলতে আগ্রহী – তারা চুক্তিতে প্রাধান্য পাবেন। বলা যায়, বিসিবি টেস্ট নিয়ে আলাদা পরিকল্পনা সাজাচ্ছে। প্রয়োজনে টেস্টের আলাদা দল গঠনের পথেও হাঁটবে তাঁরা। আর সেই পরিকল্পনায় নেই সাকিব আল হাসান, টেস্টের সেরা অলরাউন্ডারদের র‌্যাংকিংয়ে যিনি এখনও চার নম্বরে আছেন।

ক্যারিয়ারে এখন অবধি ৫৭ টি টেস্ট খেলেছেন সাকিব। তাতে তাঁর ঝুলিতে আছে ৩৯৩০ রান ও ২১০ টি উইকেট। সাদা পোশাকে সাকিবের ক্যারিয়ার এখানে থেমে গেলেও আর অবাক হওয়ার কিছু নেই!

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link