নেতৃত্ব বিসর্জন দিয়ে নতুন অধ্যায়ে শান মাসুদ?

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট ব্যর্থতায় সমালোচনার তুঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট। এই ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে নেতৃত্ব ছাড়ছেন শান মাসুদ।

বাংলাদেশের বিপক্ষে টেস্ট ব্যর্থতায় সমালোচনার তুঙ্গে পাকিস্তান ক্রিকেট। এই ব্যর্থতার দায় মাথায় নিয়ে নেতৃত্ব ছাড়ছেন শান মাসুদ। কেবল নেতৃত্বই না, বরং আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকেও তার পাঠ চুকিয়ে ফেলার জোর গুঞ্জন শুরু হয়েছে।

ব্যর্থতার বৃত্তে বন্দি এই ৩৬ বছর বয়সী ক্রিকেটার হয়তো খুব শীঘ্রই সাদা পোশাকের ক্রিকেটকে বিদায় জানাবেন। তবে কাউন্টি ক্রিকেটে খেলার দীর্ঘ অভিজ্ঞতা থাকায় বিদায়ের আগে আগামী ইংল্যান্ড সিরিজটি তিনি খেলে যেতে পারেন।

আন্তর্জাতিক ক্রিকেট থেকে অবসরের পর শান মাসুদের জন্য পাকিস্তান ক্রিকেট বোর্ড (পিসিবি) অবশ্য এক ভিন্ন দুয়ার উন্মোচন করতে যাচ্ছে। ক্রিকেটীয় জ্ঞান ও তার চমৎকার যোগাযোগ দক্ষতার কারণে তাকে পিসিবির ‘ইন্টারন্যাশনাল রিলেশনশিপ ম্যানেজার’ পদের জন্য আনুষ্ঠানিকভাবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে।

২০২৩ সালে পাকিস্তানের টেস্ট দলের হাল ধরেছিলেন শান মাসুদ। তবে অধিনায়ক হিসেবে তার অধ্যায়টা মোটেও সুখকর ছিল না। তার অধীনে খেলা ১৬টি টেস্টের মধ্যে ১২টিতেই হারের মুখ দেখেছে দল।

বাংলাদেশের বিপক্ষে চতুর্থ দিনে তার নিজের ব্যাট থেকে একটি লড়াকু হাফ সেঞ্চুরি এলেও, তা দলের পরাজয় আটকাতে পারেনি। ফলে অধিনায়ক হিসেবে পাকিস্তানের ইতিহাসে দ্বিতীয় সর্বোচ্চ ম্যাচ হারের এক অনাকাঙ্ক্ষিত রেকর্ড এখন তার নামের পাশে।

দলের এই শোচনীয় পতনে কোটি ভক্তের হৃদয় ভেঙেছে, তা স্বীকার করতে দ্বিধা করেননি মাসুদ। সমর্থকদের এই ক্ষোভ ও আবেগকে শ্রদ্ধা জানিয়ে তিনি দেশের মানুষের কাছে আন্তরিকভাবে দুঃখপ্রকাশ করেছেন। তবে একই সাথে তিনি মনে করিয়ে দিয়েছেন, আবেগে ভেসে না গিয়ে তাদের টেস্ট ক্রিকেটের বাস্তবসম্মত উন্নতির পথ খুঁজতে হবে।

লেখক পরিচিতি

স্বপ্নীল ভূঁইয়া

সাব এডিটর

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link