একজন ব্যাটারের ব্যাট থেকে আসছে ২১ বলে ১৫ রান, তাও আবার ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের(আইপিএল) মঞ্চে। এটা এক অপরাধই বইকি। যা করেছেন ঋতুরাজ গায়কোয়াড়। দিনশেষে তাই নিজের সাথে ডুবিয়েছেন চেন্নাই সুপার কিংসকেও।
চেন্নাই সুপার কিংসের ইনিংস তখন দিক হারিয়ে ফেলেছে। স্কোরবোর্ড এগোচ্ছিলো ঠিকই, কিন্তু কোথাও ছিল না টি-টোয়েন্টির চেনা বিস্ফোরণ। সেই স্থবিরতার কেন্দ্রে ছিলেন ঋতুরাজ। টি-টোয়েন্টির দ্রুতগতির ক্রিকেটে একজন ওপেনারের পুরো ইনিংসে একটি বাউন্ডারিও না পাওয়া নিঃসন্দেহে হতাশার। গায়কোয়াড়ের ব্যাটে ছিল না আগ্রাসনের ছাপ, ছিল না ম্যাচের গতি বদলে দেওয়ার কোনো ইঙ্গিত।
দীর্ঘ সময় ক্রিজে থেকেও তিনি কখনোই এমন চাপ তৈরি করতে পারেনি, যাতে হায়দ্রাবাদের বোলারদের পরিকল্পনা বদলাতে বাধ্য হয়। বরং প্রতিপক্ষের জন্য আর্শীবাদ হয়েছে তাঁর এই ধীরগতির ব্যাটিং।

তাঁর ১৫ রান এসেছে পুরোপুরি সিঙ্গেলস থেকে। ব্যাটে ছিল না আগ্রাসনের বিন্দুমাত্র ছাপ। ফলে চেন্নাইয়ের রান তোলার গতি ধীরে ধীরে থমকে যায়।
পিচ ব্যাটিংয়ের জন্য কঠিন ছিল, তবে সেটি আক্রমণাত্মক ক্রিকেট থেকে সরে আসার অযুহাত হতে পারেনা। এ্রর উদাহরণ হতে পারেন ইশান কিষাণ। শুরুতে ধুঁকলেও পরবর্তীতে খোলস ছেড়ে বেরিয়ে এসে ম্যাচটাই বাগিয়ে নিয়েছেন। সেখানে গায়কোয়াড় যেন অপেক্ষাই করে গেছেন সেই ছন্দের জন্য, যা আর কখনো আসেনি।
তাই এই মন্থর ইনিংস শেষ পর্যন্ত বাড়তি চাপ তৈরি করে পরবর্তী ব্যাটারদের ওপর। দ্রুত আউট হলে হয়তো দল নতুন পরিকল্পনার সুযোগ পেত, কিন্তু সময় নিয়ে রান না করায় চেন্নাই হারিয়েছে ইনিংসের গতি ও আত্মবিশ্বাস, দুটোই।











