শক্তিশালী মিডফিল্ড নিয়ে বিশ্বকাপ যাত্রায় পর্তুগাল

তর্ক বিতর্কের সাপেক্ষে এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে শক্তিশালী মিডফিল্ড বলা যায় পর্তুগালের কেননা দলটির মিডফিল্ডে অন্যতম ভরসার নাম তারকা ফুটবলার ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও বার্নার্ডো সিলভা। দুজনেই খেলছেন প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে।

বিশ্বকাপের আন্ডারডগ ফেবারিট পর্তুগাল। কারণ, তাঁদের শক্তিশালী মিডফিল্ড। আর এই শক্তি দিয়েই বিশ্বকাপ জিততে মরিয়া কখনও সোনালি স্বপ্নের স্বাদ না পাওয়া ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদোর দল।

তর্ক বিতর্কের সাপেক্ষে এই বিশ্বকাপে সবচেয়ে শক্তিশালী মিডফিল্ড বলা যায় পর্তুগালের কেননা দলটির মিডফিল্ডে অন্যতম ভরসার নাম তারকা ফুটবলার ব্রুনো ফার্নান্দেজ ও বার্নার্ডো সিলভা। দু’জনেই খেলছেন প্রিমিয়ার লিগ ক্লাব ম্যানচেস্টার ইউনাইটেড ও ম্যানচেস্টার সিটির হয়ে।

যেখানে ব্রুনো ফার্নান্দেজের রয়েছে একই আসরে সবচেয়ে অধিক অ্যাসিস্ট করার কীর্তি। এছাড়া ফ্রান্সের লিগ ওয়ান চ্যাম্পিয়ন ও বর্তমান ইউয়েফা চ্যাম্পিয়স লিগ (ইউসিএল) শিরোপার অন্যতম দাবিদার প্যারিস সেন্ট জার্মেইনের (পিএসজি) হয়ে খেলা তরুণ তারকা জোয়াও নেভেস ও ভিটিনহাও দলটির মিডফিল্ডকে শক্ত করেছে।

রক্ষণভাগেও মোটামুটি বেশ শক্ত অবস্থান আছে পর্তুগালের। দলটির গোলবারের অন্যতম ভরসার নাম ডিওগো কোস্টা। এছাড়া রুবেন দিয়াসকে কেন্দ্র করে গড়ে উঠেছে দলটির ডিফেন্স লাইন। তাঁর সঙ্গে থাকার দারুণ সম্ভাবনা আছে ডিওগো ডালট ও নুনো মেন্ডেসের। নুনো মেন্ডেস ইতোমধ্যেই পিএসজির হয়ে ইউসিএলে দারুণ সময় কাটাচ্ছেন।

দলটির আক্রমণভাগের অন্যতম বড় নাম ক্রিশ্চিয়ানো রোনালদো। ৪১ বছর বয়সী এই মহাতারকা এখনও সৌদি প্রো লিগে নিজ ক্লাব আল হিলালের হয়ে গোল করে যাচ্ছেন, দলে ইতিবাচক প্রভাব রাখছেন। তাঁকে সঙ্গ দেওয়ার জন্য আছেন সেন্টার ফরোয়ার্ডে গনসালো রামোস ও রাইট উইঙ্গার পেদ্রো নেটো।

তরুণ ও অভিজ্ঞদের এই মিশ্রণ নিয়ে বিশ্বকাপ ২০২৬-এ শিরোপার স্বপ্ন দেখছে পর্তুগাল। ২০১৬ এর ইউরো জয়ের স্মৃতিকে পুঁজি করে পর্তুগাল কি পারবে দীর্ঘদিনের আক্ষেপ ঘুচিয়ে প্রথমবারের মতো বিশ্বকাপ জয় করতে?

মাঠের অন্যতম প্রতিদ্বন্দ্বী তারকা মেসির মতো তিনিও কি পারবেন ক্যারিয়ার শেষে বিশ্বকাপ জয়ের সুখস্মৃতি তৈরি করতে? সকল প্রশ্নের উত্তর কেবল আর কিছুদিনের অপেক্ষায়।

Share via
Copy link