সিলেবাসেই বাইরে থেকে তাইজুলের উত্থান

বাংলাদেশের সেরা স্পিনার কে? এই আলোচনাতেও হয়তো তাইজুলের নাম কালেভদ্রেই আসে, তবে পরিসংখ্যান বলে তাইজুল বাংলাদেশের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা স্পিনার।

পাকিস্তানের সিলেবাসে নাহিদ রানা ছিলেন, ছিলেন তাসকিন আহমেদও। এমনকি মেহেদী হাসান মিরাজও ছিলেন। তবে, তাইজুল ইসলামকে নিয়ে তেমন একটা আলোচনা ছিল না। অন্তত, সিলেটের এই স্পোর্টিং উইকেটে তাইজুল ইসলাম এতটা দাপুটে হয়ে উঠবেন, সেটা কে ভেবেছিল। হ্যাঁ, এতটাই আড়ালে থাকা চরিত্র তিনি।

শেষ ইনিংসে পাকিস্তানের ছয় উইকেট একাই নিয়েছেন তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশের হয়ে ১৮ তম বারের মত এক ইনিংসে পাঁচ কিংবা তাঁর বেশি সংখ্যক উইকেট নিলেন। ব্যাস, দেশের মাটিতে প্রথমবারের মত পাকিস্তানকে টেস্ট ক্রিকেটে হোয়াইটওয়াশ করার স্বপ্ন পূরণ হল বাংলাদেশের।

সিলেট টেস্টেই ব্যাট হাতে ৯১ টি বল খেলেছেন। দুই ইনিংসে জরুরী দু’টো জুটিতে তিনি গুরুত্বপূর্ণ সঙ্গ দিয়েছেন লিটন দাস ও মুশফিকুর রহিমকে। এবার করলেন তাঁর আসল কাজ। পাকিস্তানের শেষ স্বপ্নটা শেষ করে দিলেন। দুই ইনিংস মিলিয়ে নিলেন নয় উইকেট। গোটা সিরিজে নিলেন ১৩ উইকেট। অথচ, তাঁর জায়গায় পাকিস্তানের এক গাদা ডান হাতি ব্যাটার বিবেচনা করে নাঈম হাসাননে নেওয়া যায় কি না – সে নিয়েও আলোচনা হচ্ছিল।

তাইজুল ইসলাম কোনো আলোচনার সুযোগ রাখলেন না। বাংলাদেশে যখন পেস বোলিংয়ের জোয়ার চলছে, তখন আবারও বল হাতে দুই দল মিলে টেস্ট সিরিজের সেরা বোলার তাইজুল ইসলাম। বাংলাদেশের সেরা স্পিনার কে? এই আলোচনাতেও হয়তো তাইজুলের নাম কালেভদ্রেই আসে, তবে পরিসংখ্যান বলে তাইজুল বাংলাদেশের ইতিহাসেরই অন্যতম সেরা স্পিনার।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link