ধোনির বিদায়ের ইঙ্গিত, আবেগে ভাসল চিপক

চোটের কারনে পুরো মৌসুমে একটিও ম্যাচ খেলতে পারেনি ৪৪ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি উইকেট কিপার ব্যাটার। তাই তো সমর্থকদের হতাশা ছিল প্রবল। তবে সিএসকের শেষ ম্যাচ উপলক্ষে দলের ফটোসেশনে অংশ নিতে মাঠে নামেন ধোনি।

চিপকের আকাশে তখন সন্ধ্যার আলো ম্লান হয়ে আসছে। স্কোরবোর্ডে ভেসে উঠেছে আরেকটি হতাশার ফল, চেন্নাই সুপার কিংস পাঁচ উইকেটে হেরেছে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের কাছে। কিন্তু পরাজয়ের সেই ভারী সন্ধ্যাতেও গ্যালারিতে জন্ম নেয় এক আবেগঘন মুহূর্ত, কারণ মাঠে দেখা যায় চেন্নাইয়ের মহাতারকা মাহেন্দ্র সিং ধোনিকে।

চোটের কারনে পুরো মৌসুমে একটিও ম্যাচ খেলতে পারেনি ৪৪ বছর বয়সী এই কিংবদন্তি উইকেট কিপার ব্যাটার। তাই তো সমর্থকদের হতাশা ছিল প্রবল। তবে সিএসকের শেষ ম্যাচ উপলক্ষে দলের ফটোসেশনে অংশ নিতে মাঠে নামেন ধোনি।

 

এরপর পুরো মাঠ ঘুরে দর্শকদের শুভেচ্ছা জানান তিনি। আর তাতেই যেন আবেগে ভেসে যায় হলুদ গ্যালারি। অনেকের চোখে ছিল অশ্রু, অনেকের কন্ঠে ছিল শুধুই – “থালা”।

চিপকের এই আবেগঘন মুহূর্তকে আরো স্মরণীয় করে তোলেন সুরেশ রায়না। সিএসকের সাবেক এই তারকা সেদিন ধারাভাষ্যকারের ভূমিকায় ছিলেন। একসময় সিএসকের সোনালি অধ্যায়ের প্রাণ ছিল ধোনি-রায়না জুটি। দুজন মিলে ফ্র্যাঞ্চাইজিটিকে এনে দিয়েছেন চারটি ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) শিরোপা।

তবে ম্যাচের বাইরে সবচেয়ে আলোচনার বিষয় ছিল ধোনির ভবিষ্যৎ। সমর্থকরা এখনও আশা করছেন, হয়তো আগামী মৌসুমে আবারও মাঠে ফিরবেন তিনি। কিন্তু রায়নার বক্তব্যে সেই আশার আকাশে নেমে আসে অনিশ্চয়তার মেঘ।

 

স্টার স্পোর্টসের সাক্ষাৎকারে রায়না বলেন , “আমি তাকে বলেছিলাম, ‘তুমি আইপিএল ২০২৬-কে শুধু একটা মিসড কল দিয়েছ। এটা গণনায় ধরা হবে না। আগামী বছর তোমাকে ফিরতেই হবে।’ তখন সে বলল, ‘আমার শরীর এখন একটু দুর্বল।’

তিনি আরো যোগ করেন, “আমি তাঁকে বলেছি, ‘আমরা কিছুই বিশ্বাস করছি না, তোমাকে আগামী বছর খেলতেই হবে।’ তবে এটা পুরোপুরি তার ব্যক্তিগত সিদ্ধান্ত। আমার মনে হয়, সে ইতিবাচক আছে। দলও আবার ভালোভাবে গড়ে উঠছে।”

এদিকে ম্যাচ পরবর্তী প্রেস কনফারেন্সে ধোনির ভবিষ্যৎ নিয়ে প্রশ্ন উঠতেই সিএসকের প্রধান কোচ স্টিফেন ফ্লেমিং বলেন, “এটা পুরোপুরি ম্যানেজমেন্টের সিদ্ধান্তের বিষয়। আমি জানি, এ নিয়ে অনেক আলোচনা হচ্ছে। ধোনি এ বছর দলের সঙ্গে অনেক সময় কাটিয়েছে, যা দলের জন্য এবং তরুণ খেলোয়াড়দের ধারাবাহিক উন্নতির জন্য খুবই গুরুত্বপূর্ণ। তাই সে দলের একটি বড় অংশ হয়ে ছিল। সে খেলেনি, কিন্তু তারপরও দলের ওপর তাঁর প্রভাব ছিল অনেক বড়।”

 

সেই আবেগঘন সন্ধ্যায় তাই স্কোরলাইন খুব দ্রুতই হারিয়ে যায় সময়ের ভিড়ে। গ্যালারিতে রয়ে যায় শুধু একটাই প্রশ্ন – হলুদ জার্সিতে কি আর কখনও দেখা যাবে এম এস ধোনিকে? বয়স, চোট আর সময় তাঁকে ধীরে ধীরে মাঠ থেকে দূরে সরিয়ে দিচ্ছে, কিন্তু সমর্থকদের বিশ্বাস এখনও শেষ হয়নি কারণ ধোনি মানেই শুধু একজন ক্রিকেটার নন, তিনি চেন্নাইয়ের আবেগ, কোটি ভক্তের মনে থাকা এক কিংবদন্তি।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link