জশ ইংলিসের তাণ্ডবে দিশেহারা রাজস্থান!

জীবন পেলে সেই জীবনকে কিভাবে কাজে লাগাতে হয়, সেটারই জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠলেন জশ ইংলিস।

জীবন পেলে সেই জীবনকে কিভাবে কাজে লাগাতে হয়, সেটারই জীবন্ত উদাহরণ হয়ে উঠলেন জশ ইংলিস।  শূন্য রানে জীবন পেয়েছিলেন, আর সেই জীবনকেই বানিয়ে ফেললেন রাজস্থান রয়্যালসের  জন্য দুঃস্বপ্ন। ২৯ বলে ৬০ রানের ঝড় উপহার দিলেন। ব্যাট হাতে এমন তাণ্ডব চালালেন, যেন প্রতিটা বলের সঙ্গে জমে থাকা ক্ষোভের হিসাব চুকিয়ে দিচ্ছেন। শেষ পর্যন্ত আক্ষেপ ছাড়া কিছুই জোটেনি রাজস্থানের কপালে।

লখনৌ সুপার জায়ান্টসের জন্য ম্যাচটা হয়তো খুব বেশি কিছু বদলে দেওয়ার ছিল না। প্লে-অফের দৌড়ে তারা আগেই পিছিয়ে পড়েছে। হারানোরও কিছু ছিল না। কিন্তু তাই বলে লড়াই থেমে থাকবে কেন! শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত  প্রতিপক্ষকে আঘাত করার মানসিকতাই যেন দেখাল লখনৌ। আর সেই মরণকামড় দেওয়ার দায়িত্ব নিজের কাঁধে তুলে নিলেন ইংলিস।

তবে শুরুটা মোটেও এমন ছিল না। ভাগ্য তাঁর পাশে দাঁড়িয়েছিল একদম শুরুতেই। শূন্য রানে তাঁকে ফেরানোর সুবর্ণ সুযোগ তৈরি করেছিল রাজস্থান। সহজ সেই সুযোগ হাতছাড়া হয়। আর ক্রিকেট এমনই নিষ্ঠুর খেলা, যেখানে একটা ভুলই পুরো ম্যাচের ভাগ্য লিখে দেয়। রাজস্থানও বুঝে গেছে সেই ভুলের মূল্য কতটা ভয়ংকর হতে পারে।

জীবন পাওয়ার পর যেন বদলে গেলেন ইংলিস। এরপর আর তাঁকে থামানোর কোনো ভাষা খুঁজে পায়নি রাজস্থানের বোলাররা। মাঠের চারদিকে শটের ফুলঝুরি ছুটেছে। কখনো পুল, কখনো কাট, আবার কখনো সোজা ব্যাটে নির্মম প্রহার।   গোলকটাকে একদম ছাতুপেটা করেছেন। রাজস্থানের বোলারদের পরিকল্পনা, লাইন-লেংথ—সবকিছু মুহূর্তেই তছনছ করে দিয়েছেন।

 যখন ফিরলেন ২০৬ স্ট্রাইক রেট সাথে নিয়ে ফিরলেন। নামের পাশে ৬০ রান। রাজস্থানকে বুঝিয়ে দিলেন, প্রতিপক্ষ দ্বিতীয় সুযোগ দিতে নেই।

Share via
Copy link