শেষদিনেই লেখা হবে সিলেট টেস্টের ভাগ্য!

বাংলাদেশের দরকার তিন উইকেট, পাকিস্তানের ১২১ রান। শেষদিনের হিসাবটা কেবল বাকি। যেখানে বাংলাদেশই ম্যাচ জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার।

বাংলাদেশের দরকার তিন উইকেট, পাকিস্তানের ১২১ রান। শেষদিনের হিসাবটা কেবল বাকি। যেখানে বাংলাদেশই ম্যাচ জয়ের সবচেয়ে বড় দাবিদার।

তৃতীয় দিন শেষে সংবাদ সম্মেলনে উমর গুল বলেছিলেন, পাকিস্তানের সক্ষমতা আছে ৪৩৭ রান তাড়া করার। সেটাই যেন যপমন্ত্র বানিয়েছেন পাকিস্তানের ব্যাটাররা। চতুর্থ দিনটাতে ভালোই ভুগিয়েছেন বাংলাদেশি বোলারদের।

৪১ রানে দুই ওপেনারের বিদায়ের পর তখনও অনেকটা নির্ভার ছিল বাংলাদেশ। সেখান থেকে শান মাসুদ আর বাবর আজম মিলে ৯২ রানের জুটি গড়ে ঘুরে দাঁড়ানোর চেষ্টা চালায় পাকিস্তান। ৪৭ রানে বাবর ফিরলে কিছুটা স্বস্তি ফেরে বাংলাদেশের ডেরায়।

১৬২ রান তুলতেই যখন পাঁচ উইকেট হারিয়ে বসে সফরকারীরা, তখন মনেই হচ্ছিল চতুর্থ দিনেই শেষ হবে ম্যাচ, আর জয়ের হাসি হাসবে নাজমুল হোসেন শান্তর দল। তবে বাঁধ সাধলেন মোহাম্মদ রিজওয়ান আর সালমান আলী আঘা। ১৩৪ রানের জুটি গড়ে শেষ আশাটা বাঁচিয়ে রাখেন তারা।

৭১ রানে সালমান ফিরলেও গলার কাঁটা হয়ে রিজওয়ান দাঁড়িয়ে আছেন ক্রিজে। ৭৫ রান করে তিনিই এখন পাকিস্তানের শেষ আশা-ভরসার নাম। চতুর্থ দিন শেষে সাত উইকেট হারিয়ে পাকিস্তানের সংগ্রহ ৩১৬। বল হাতে দিনের সেরা তাইজুল ইসলাম, শিকার করেছেন চারখানা উইকেট। সিলেট টেস্টের ভাগ্য গড়াল শেষদিনে। অসাধ্য সাধন করতে পারে কিনা পাকিস্তান, নাকি বাংলাদেশই শেষ হাসিটা সহজেই হাসে, সেটাই এখন দেখার অপেক্ষা।

Share via
Copy link