চরম নাটকীয়তার জন্ম দিলেন দাসুন শানাকা, ফ্রাঞ্চাইজি টুর্নামেন্টে খেলতে রীতিমতো চুরির আশ্রয় নিয়েছেন তিনি। প্রথম শ্রেণীর ম্যাচ চলাকালে কনকাশনের অজুহাত দিয়ে আগেই মাঠ ছেড়েছিলেন শানাকা, এরপর সেই দিনে আরব আমিরাতে গিয়ে দুবাই ক্যাপিটালসের হয়ে খেলেছিলেন।
স্বাভাবিকভাবেই এতেই ক্ষিপ্ত হয়েছে শ্রীলঙ্কা ক্রিকেট (এসএলসি), ইতোমধ্যে আনুষ্ঠানিক তদন্ত শুরুর ব্যবস্থা নিয়েছে তাঁরা। কেবল বোর্ড নয়, তাঁর দল সিংহলিজ স্পোর্টস ক্লাবও (এসএসসি) নিজেদের মত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।
চলতি মাসের দুই তারিখে এসএসসি মুখোমুখি হয়েছিল মুর স্পোর্টস ক্লাবের, রেলিগেশন এড়ানোর জন্য এ ম্যাচটা ছিল খুবই গুরুত্বপূর্ণ। সেজন্যই আইএল টি-টোয়েন্টি থেকে শানাকা সহ তিনজন ক্রিকেটারকে ডেকে পাঠায় দলটা। পারফরমও করেছিলেন এই অলরাউন্ডার, বল হাতে এক উইকেট নেয়ার পাশাপাশি ব্যাট হাতে খেলেছেন ১২৩ রানের বিধ্বংসী এক ইনিংস।

কিন্তু বিপত্তি বাঁধে সেখানেই, এই তারকা আউট হওয়ার পরও ম্যাচের অনেকটা বাকি ছিল। কিন্তু ম্যাচ রেফারি ওয়েন্ডেল ল্যাব্রয়কে কনকাশন চোটের কথা জানিয়ে বদলি হিসেবে অন্য খেলোয়াড়কে নামানো হয়। কিন্তু বিস্ময় সৃষ্টি কয়েক ঘন্টা পরেই। একইদিন সন্ধ্যায় আইএল টি-টোয়েন্টিতে খেলতে দেখা যায় লঙ্কান হার্ডহিটারকে, ১২ বলে ৩৪ রানের ক্যামিও খেলেছিলেন তিনি।
অর্থাৎ এটা স্পষ্ট যে, ভুয়া ইনজুরির অজুহাত দেখিয়ে ম্যাচ শেষ হওয়ার আগেই বের হয়ে গিয়েছিলেন শানাকা। এই প্রসঙ্গে এসএলসি এর সিইও অ্যাশলে ডি সিলভা লাসিথ মালিঙ্গার কথা জানান। তিনি বলেন, মালিঙ্গা মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের হয়ে খেলে ঘরোয়া ক্রিকেটে আবার রেকর্ড ব্রেকিং পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছিলেন। তিনি কিন্তু ম্যাচ শেষ হওয়ার আগে এক জায়গা থেকে আরেক জায়গায় যাননি।
ছোটবেলায় ঘুমের ভান করে মাঠে ছুটে যেতেন অনেকেই, বাড়ি ফিরলে মায়ের মার খেতেই হতো তখন। দাসুন শানাকাও তো প্রায় একই কাজ করলেন; এখন দেখার বিষয় কতটা শাস্তি পেতে হয় তাঁকে।











