দু:সময় কাটাতে যা করবেন বাবর

বিশ্বকাপে দলগত পারফরম্যান্স ভালো হয়নি পাকিস্তানের, সেমিফাইনালের স্বপ্ন নিয়ে ভারতে গেলেও ফিরতে হয়েছে এর আগেই। সেই দায় মাথায় নিয়ে অধিনায়কত্ব থেকে সরে দাঁড়িয়েছিলেন বাবর আজম। আর সে সময় ধারণা করা হয়েছিল নেতৃত্বের চাপ না থাকায় বাবরের ব্যাট নিশ্চয়ই আরও চওড়া হয়ে উঠবে।

কিন্তু আশায় গুড়ে বালি, অধিনায়কত্ব ছাড়ার পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে সিরিজ খেলতে গিয়ে হতশ্রী পারফরম্যান্স উপহার দিয়েছেন তিনি। প্রথম টেস্টের দুই ইনিংসে করেছেন যথাক্রমে ১৪ ও ২১ রান। পরের টেস্টেও ভাল কিছু করতে পারেননি, প্রথম ইনিংসে আউট হয়েছেন ১ রান করেই।

সেরা ব্যাটারের এমন ফর্ম দেখে চুপ করে থাকতে পারেননি দেশটির দুই সাবেক ক্রিকেটার রমিজ রাজা এবং মোহাম্মদ ইউসুফ। দুজনেই উত্তরসূরিকে বাতলে দিয়েছেন ঘুরে দাঁড়ানোর পথ।

নিজের এক্স (টুইটার) একাউন্টে বাবরকে সমর্থন দিয়ে ইউসুফ লিখেন, ‘শক্ত থাকো কারণ সময় পরিবর্তন হবেই। এখন হয়তো ঝড় হচ্ছে, কিন্তু সারাজীবন তো আর বৃষ্টি হবে না।’

এছাড়া ধারাভাষ্যকার রমিজ রাজা ব্যক্তিগত ইউটিউব চ্যানেলে এই পাক ব্যাটারকে আরও রক্ষণাত্মক হওয়ার পরামর্শ দেন। তিনি বলেন, ‘টেস্ট ক্রিকেটে বাবরের জন্য প্রথম ১৫/২০ মিনিট বেশ গুরুত্বপূর্ণ। কারণ সে এই সময়টাতে পিচের সাথে মানিয়ে নেওয়ার চেষ্টা করে এবং পিচের সাথে মানিয়ে নেওয়াটা সবচেয়ে কঠিন কাজ। তাকে রক্ষণাত্বক হয়ে খেলতে হবে এবং ক্রিজে যত বেশি সম্ভব সময় কাটাতে হবে।’

অন্যদিকে, পাক তারকাকে আউট করায় প্যাট কামিন্সের প্রশংসা করেছেন মাইকেল ভন। সাবেক এই ইংলিশ ব্যাটার বলেন, ‘অনেক বোলারের যথেষ্ট দক্ষতা রয়েছে, তবে কামিন্স বুঝতে পারে কখন সেরাটা দিতে হবে। সে জানতো যে তাঁর দলকে এখন ব্রেকথ্রু পেতে হবে। এবং সে বিশ্বমানের ব্যাটারদের আউট করতে পছন্দ করে।’

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link