এমন প্রত্যাবর্তনে চোখে অশ্রু আসবেই!

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে ম্যাচের শেষ ২১ মিনিট মাঠে ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই সেলেসাও রাজপুত্র।

গ্রুপপর্বে ব্রাজিলের শেষ ম্যাচে বহু অপেক্ষার অবসান ঘটেছে ভক্তদের। আনন্দের জোয়ারে ভাসিয়ে দিয়ে স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে মাঠে নামেন নেইমার জুনিয়র। দীর্ঘ ৯৮১ দিন পর যখন তিনি ব্রাজিলের জার্সি গায়ে সবুজ ঘাসে পা রাখলেন, তখন গ্যালারির গর্জন ছাপিয়ে বিশ্ব ফুটবল যেন এক পরম স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলল।

স্কটল্যান্ডের বিপক্ষে ৩-০ গোলের দাপুটে জয়ে ম্যাচের শেষ ২১ মিনিট মাঠে ছিলেন ৩৪ বছর বয়সী এই সেলেসাও রাজপুত্র। মাঠ থেকে ফিরেই গ্লোবো টিভিকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে নেইমার অকপটে স্বীকার করেন নিজের মনের অনুভূতির কথা। বর্তমানে সান্তোসের হয়ে খেলা এই তারকা বলেন, “আমার হৃদস্পন্দন দ্রুত হচ্ছিল, আমি সত্যিই খুব নার্ভাস ছিলাম। কিন্তু, একই সাথে ভীষণ খুশি ছিলাম আর খুব গর্বিত বোধ করছিলাম।”

নিজের চতুর্থ বিশ্বকাপে ডান পায়ের কাফ ইনজুরির কারণে প্রথম দুটি ম্যাচ মিস করেছিলেন ব্রাজিলের ইতিহাসের সর্বোচ্চ গোলদাতা। তবে প্রিয় মাঠ আর চেনা ছন্দে ফিরতে নেইমার এখন পুরোই ম্যাচ-ফিট। ২০২৩ সালের অক্টোবরের সেই অভিশপ্ত এসিএল ইনজুরির পর ব্রাজিলের হলুদ জার্সি গায়ে এই ম্যাচ ছিল তাঁর জন্য রাজকীয় প্রত্যাবর্তন।

ম্যাচ শেষে মাঠের মাঝেই অশ্রুসিক্ত চোখে কান্নায় ভেঙে পড়েন নেইমার। পরে ইনস্টাগ্রামে সেই আবেগঘন মুহূর্তের ছবি পোস্ট করে ক্যাপশনে লিখেন, “রিমেম্বার হু ইউ আর।” অল্প সময় মাঠে থেকেই তিনটা দারুণ সুযোগ তৈরি করা নেইমারের এই একটি লাইনেই যেন লুকিয়ে ছিল দীর্ঘ লড়াই এবং ফিরে আসার গল্প।

গত দেড় দশক ধরে জোগো বোনিতোর উত্তরাধিকারীর দায়িত্ব পালন করে যাওয়া নেইমারের এই ফিরে আসার পথটা ছিল বন্ধুর। কিন্তু, বিশ্বকাপে আট গোল আর চার অ্যাসিস্টের মালিক নেইমার হাল ছাড়েননি কখনো। তাই তো, অনেকেই যখন তাঁর ব্রাজিলের জার্সি আবারও গায়ে তোলার সব সম্ভাবনাকে শূন্য বলে গুণতে শুরু করেছিল, এর পরেই তিনি আবার ফিরে এসে যেন জানিয়ে দিলেন, নেইমার কখনো হাল ছাড়েন না। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link