শুরু হলো টেন ডট টেন

আজ থেকে শুরু হয়েছে সাবেক কিংবদন্তী ক্রিকেটারদের নিয়ে ক্রিকেটের নতুন ফরম্যাট টেন ডট টেন। প্রতিটা ম্যাচের দৈর্ঘ্য হবে ১০ ওভার ১০ বল অর্থাৎ ৭০ বল। টুর্নামেন্টে অংশ নিচ্ছে বাংলাদেশ জাতীয় দল এবং ঢাকা প্রিমিয়াম লিগে খেলা সাবেক ক্রিকেটাররা।

এরকম টুর্নামেন্ট আয়োজন করার জন্য সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ দিয়েছেন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) পরিচালক ইসমাইল হায়দার মল্লিক। বোর্ডের এই পরিচালক মনে করেন এরকম টুর্নামেন্ট ক্রিকেটের প্রচার ও প্রসারে অবদান রেখে উদ্বুদ্ধ করবে তরুণ ক্রিকেটারদের।

তিনি বলেন, ‘প্রথম কথা হলো আমি প্রথমেই অভিনন্দন ও ধন্যবাদ দিতে চাই যারা আয়োজক বিশেষ করে ক্রিকবল ও এসিই। স্পেশালি ইশতিয়াক ভাইকে, এর আগেও তিনি এই মাঠে ডিফারেন্ট ডিফারেন্ট অ্যামেচার টুর্নামেন্ট করেছে। এই উদ্যোগটা যখন নেয় আমাদের বোর্ডের সংশ্লিষ্ট যারা আছে সাবেক ৬ জন নান্নু, আকরাম, সুজন, দূর্জয়, পাইলট, সুমন ভাই ও রফিক ভাইয়ের মতো তারকা যারা আছে সবাইকে এক প্ল্যাটফর্মে জড়ো করা।’

বোর্ড পরিচালক আরো বলেন,  `এটা আসলে ক্রিকেটের প্রচার ও প্রসারে উদ্বুদ্ধ করবে ইয়াং জেনারেশনকে। কারণ তাদের খেলা তো আর দেখা যায় না। এই জেনারেশন তাদের খেলা দেখেনি। এরকম টুর্নামেন্ট আয়োজন করা চ্যালেঞ্জিং। আমরা মনে করি এই উদ্যোগটা খুবই ভালো। এটার সাথে থাকতে পেরে আমরাও আনন্দিত।’

টুর্নামেন্টের অন্যতম উদ্যোক্তা টি-স্পোর্টসের সিইও ইসতিয়াক আহম্মেদ সাদি জানিয়েছেন ক্রিকেটারদের ফিটনেসের কথা বিবেচোনা করেই সংক্ষিপ্ত করা হয়েছে ম্যাচের দৈর্ঘ্য। তিনি আশাবাদী জনপ্রিয় হবে এই ফরম্যাটও।

সাদি বলেন, টুর্নামেন্টটা বাংলাদেশের সব তারকা ক্রিকেটারদের নিয়ে করছি। ফরম্যাটটা শট করার কারণই হচ্ছে যে আসলে সবাই তো ফিট না। টি-টেন তো আমরা আগেও দেখেছি আমার কাছে মনে হয় টেন ডট টেনটা অনেক জনপ্রিয় হবে এবং তাঁরা খেলে ইনজয় করবে।

এলসিটি টেন ডট টেনে অংশ নিচ্ছে ৬ টি ফ্র্যাঞ্জাইজি। দুই গ্রুপে ভাগ হয়ে লিগ পর্বে অংশ নিবে দল গুলো। এ গ্রুপে রয়েছে এক্সপো রেইডার্স, বৈশাখী বেঙ্গল ও জেমকন টাইটান্স। গ্রুপ বি তে রয়েছে নারায়নগঞ্জ ওয়ারিয়র্স, জা’দুবে স্টার্স ও একমি স্ট্রাইকার্স।

গ্রুপ পর্বে ক্রিস ক্রস সিস্টেমে পরস্পরের মুখোমুখি হবে দল গুলো। অর্থাৎ এক গ্রুপের দল গুলো  খেলবে অপর গ্রুপের দল গুলোর সাথে। একই গ্রুপের পয়েন্ট টেবিলের শীর্ষ দুই দল খেলবে ২ সেমিফাইনালে। সেমিফাইনালে উঠতে না পারা দুই গ্রুপের ২ দল খেলবে বোল ফাইনাল। দুই সেমিফাইনালে পরাজিত দল খেলবে প্লট ফাইনাল আর জয়ী দল খেলবে ফাইনাল। ২০ ফেব্রুয়ারি অনুষ্ঠিত হবে টুর্নামেন্টের ফাইনাল।

শেখ কামাল আন্তর্জাতিক ক্রিকেট স্টেডিয়ামের এক নাম্বার গ্রাউন্ডের ম্যাচ গুলো সরাসরি সম্প্রচার করবে বাংলদেশের প্রথম ও একমাত্র স্পোর্টস চ্যানেল টেন স্পোর্টস।

পেশাদার ক্রিকেটারদের সংগঠন- কোয়াবের মাধ্যমে টুর্নামেন্ট থেকে অর্জিত অর্থ ব্যয় করা হবে অস্বচ্ছল ও বিপদগ্রস্ত ক্রিকেটারদের সাহায্যার্থে। লিজেন্ড’স ক্রিকেট চ্যাম্পিয়নন্স ট্রফির প্রধান পৃষ্ঠপোষক সুবরা সিস্টেমস লিমিটেড, পাওয়ার্ড বাই ওয়ালটন ও ড্রিংকিং পার্টনার একমি। এলসিটি টেন ডট টেনের আয়োজন এসিই ও ক্রিকবল এবং সার্বিক সহযোগিতা করছে কোয়াব।

টুর্নামেন্টের ৬ আইকন ক্রিকেটার হলেন- মিনহাজুল আবেদীন নান্নু, আকরাম খান, খালেদ মাহমুদ সুজন, নাঈমুর রহমান দূর্জয়, খালেদ মাসুদ পাইলট ও হাবিবুল বাশার সুমন।

টুর্নামেন্টের ৬ মেন্টর হলেন- নাজমুল আবেদীন ফাহিম, নুরুল আবেদীন নোবেল, সারোয়ার ইমরান, আথার আলী খান, নাসির আহমেদ নাসু ও আজহার হোসেন শান্টু।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link