বসে দেখার দিনগুলোতে…

করোনা ভাইরাসের প্রকোপে এখন তো আর মাঠে বসে খেলা দেখা উপায় দর্শকদের জন্য নেই বললেই চলে। কিন্তু, সেই বসার স্মৃতিচারণা করা তো দোষের কিছু নয়।

– বিশ্বসেরা অলরাউন্ডার তিনি। ব্যাটিং, বোলিং, ফিল্ডি – এক হাতে সামলাতে হয় কত কিছু। এর মধ্যে বসার ফুরসৎও পান সাকিব আল হাসান? ছবি – বিসিবি

– ৭০-এর দশকের লর্ডস। বিচিত্র একটা গাড়িতে বসে একটা ক্লাব ম্যাচ দেখছেন কয়েকজন দর্শক। আচ্ছা, এই বিচিত্র বাহনের নাম কি? কেউ জানেন? ছবি: গেটি ইমেজ/ক্রিকেট মান্থলি

করোনা ভাইরাসের প্রকোপ আবারও বাতিল। স্থগিত করা হল ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল)। অন্য সব কিছুর মত তাই এই চেয়ারগুলোও কর্মশূণ্য। দিল্লীর স্টেডিয়াম থেকে তিন কর্মী তাঁদের বের করে নিয়ে যাচ্ছেন। ছবি – এপি/ ক্রিকেট মান্থলি

– ১৯৯৬ সালের ইডেন। বিশ্বকাপের সেমিফাইনাল। মুখোমুখি ভারত ও শ্রীলঙ্কা। উত্তাল গ্যালারিতে আগুন। ম্যাচ বাতিল। বিশ্বকাপের ফাইনালে শ্রীলঙ্কা। ঐতিহাসিক ভাবেও এটা তাই খুবই গুরুত্বপূর্ণ ছবি। ছবি – এপি

– কাজের বিনিময়ে ফটোসেশন। যেকোনো দলের ফটোসেশনে এটা খুবই পরিচিত দৃশ্য। ক্রিকেটাররা নিজেরাই চেয়ার বহন করে মাঠের মাঝে নিয়ে আসেন, সবাই বসে ছবি তোলেন – এরপর আবার চেয়ার নিয়ে রেখে আসেন। ছবি – গেটি ইমেজ/ক্রিকেট মান্থলি

– চেয়ার কখনো কখনো কেবল বসার কাজেই লাগে না। এই মাঠকর্মীরা যেমন চেয়ার মাঠের এক জায়গা থেকে অন্য জায়গায় নিয়ে যাচ্ছেন, ছবিটা ২০১৯ সালে মহেন্দ্র সিং ধোনির শহর রাঁচিতে তোলা। ছবি – এপি/ক্রিকেট মান্থলি

– গ্যালারিতে একেবারেই বসার সুযোগ যে নেই – ব্যাপারটা তা নয়। আপনি যদি দলের নির্বাচক হন তাহলে নিশ্চয়ই গ্র্যান্ড স্ট্যান্ডে বসে খেলা দেখতে পাবেন। এখানে যেমন বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ডের (বিসিবি) তিন নির্বাচক দেখছেন খেলা। ছবি: বিসিবি

– চান নাকি কাউন্টি ক্রিকেটের এই সেরা ভিউ নিতে? ছবি: গেটি ইমেজ/ ক্রিকেট মান্থলি

ক্রিকেটে আছে সবার অধিকার, সবাই এর দর্শক। ছবি: অ্যালামি

– বাস্তবতাও আছে, সবাই চাইলেও শান্তিতে বসে দেখতে পারেন না ক্রিকেট। ছবি: আইসিসি

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *

Share via
Copy link