বৈভব সুরিয়াভানশি মাঠে নামবেন, আর বাড়তি কিছু হবে না তা কেমন করে হয়। ম্যাচের দৈর্ঘ্য কমে আসায় তিনি যেন আরও প্রবল হয়ে উঠলেন মুম্বাই ইন্ডিয়ান্সের ওপর। এবার যেন তোপটা গেল খোদ জাসপ্রিত বুমরাহর ওপর।
এই বুমরাহর উচ্চারণ হলেই ব্যাটারদের বুকের ভেতরটা কেমন যেন হালকা কেঁপে ওঠে। তাঁর বল মানেই অনিশ্চয়তা, অদ্ভুত অ্যাঙ্গেল, আর এমন নিখুঁত লাইন-লেন্থ—যেখানে ভালো বলেও অনেক সময় ব্যাটার শুধু বাঁচার চেষ্টা করে। এমনকি খারাপ বল হলেও, তাঁর নামটাই অনেককে শট খেলতে দ্বিধায় ফেলে দেয়।

কিন্তু সব গল্প এক নিয়মে চলে না। আর বৈভব সুরিয়াভানশি তো নিজের গল্পটা ম্যাচের ঝড়েই লিখে থাকেন। তিনি ভয় পান না, বরং ভয় দেখান। বেবি মনস্টার বলেই তিনি বুমরাহর মতো বোলারের বিপক্ষেও প্রথম বলেই ছক্কা হাঁকানোর দু:সাহস রাখেন।
এখানেই পার্থক্যটা স্পষ্ট। যেখানে অভিজ্ঞ ব্যাটাররা হিসেব কষে খেলেন, সেখানে বৈভব যেন খেলেন নিছক নিজের সাজানো ছকে — বল দেখলেই আক্রমণ। শুধু বুমরাহ নয়, ট্রেন্ট বোল্ট বা শার্দুল ঠাকুর—কারও প্রতিই নেই বাড়তি শ্রদ্ধা। নাম নয়, বলটাই তার কাছে আসল।

এক ওভারে বুমরাহকে দুটো ছক্কা—এটা বড় একটা বার্তা। এটা বলে দেয়, ক্রিকেট বদলাচ্ছে। নতুন প্রজন্ম ভয় পেতে শেখেনি, তারা চ্যালেঞ্জ করতে শিখেছে। ১৪ বলে ৩৯ রান, সংখ্যায় ছোট হলেও ১১ ওভারের ম্যাচে এটাই গেম চেঞ্জার। পাঁচ ছক্কা আর এক চারের এই ইনিংস দর্শকদের মন জিতে নিতে বাধ্য। সুরিয়ানভানশি চোখে আঙুল দিয়ে দেখিয়ে গেলেন, বড় নামের সামনে মাথা নত করার দিন শেষ।










