ছয় মাসে আগে কোথাও ছিলেন না। শিরোনামে ঠাঁই পেয়েছিল একটাই লাইন, হারিয়ে গেছেন ইশান কিষাণ। তবে রাতারাতি ফিনিক্স পাখির মতো নিজের পুনর্জন্ম ঘটালেন। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগের (আইপিএল) প্রথম ম্যাচেই ইশানের বদলে যাওয়া রূপের একটা ঝলক দেখা গেল।
সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অধিনায়কের আর্মব্যান্ডটা তাঁর হাতেই। কাঁধে বাড়তি দায়িত্ব, নিজেকে প্রমাণ করতে হবে, দলের ভার সামলাতে হবে। একটা ধোঁয়াশার কুণ্ডলী দেখা দিয়েছিল, জনমনে একটাই প্রশ্ন, ইশান পারবে তো?
চাপে থাকলে চাপটা আরও বাড়ে। শুরুতেই খেই হারিয়ে ফেলল হায়দ্রাবাদ। ২৯ রানেই তিন উইকেট নাই। আরসিবির বোলাররা ত্রাস ছড়াচ্ছে তখন। এমন সময় মাথাটা হিমশীতল করে ফেললেন ইশান। কানে বাজছে একটাই কথা, দল বিপদে, দায়িত্ব নিতে হবে যে।

সেটাই নিলেন। তবে ভেতরে জ্বলন্ত আগ্নেয়গিরি দমিয়ে রেখে কতক্ষণই বা ঠান্ডা থাকা যায়? ইশান তাই নিজের রূপে ফিরে এলেন। আরসিবির বোলারদের ওপর প্রতিআক্রমণ চালালেন।
হেনরিখ ক্লাসেনকে সাথে নিয়ে সাময়িক বিপর্যয় সামাল দিলেন, গড়লেন ৯৭ রানের জুটি। এরপর চলল সঙ্গীহীন এক লড়াই। নিজের পথ নিজেকেই যে খুঁজে নিতে হয়। কিষাণ সেটাই করেছেন, ফিফটি এসেছে তবে ওই যে দলের দায়িত্ব কাঁধে, মনোযোগ হারালে চলবে না।
কিষাণ আবার শুরু করেন ঝড়, দলের জন্য নিজেকে প্রমাণের জন্য। হায়দ্রাবাদ ভুল করেনি, যোগ্য লোকই যে দায়িত্বে বসেছে। সেঞ্চুরির পথেই এগোচ্ছিলেন তবে বাধ সাধল ফিল সল্টের অবিশ্বাস্য ক্যাচ। ৩৮ বলে ৮০ রানেই ফিরতে হয়েছে নেতাকে। তবে যাওয়ার আগে নিজের কাজটা করে গেছেন। খাদের কিনারা থেকে দলকে এনে দিয়েছেন ২০১ রানের সংগ্রহ!












