গেইল হবেন সুরিয়াভানশি?

সুরিয়াভানশি যেখানে চলতি আসরে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ৩৭ টি ছক্কা হাকান সেখানে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অভিষেকের ছক্কার সংখ্যা ২৮ টি। ইতিহাসটা তাই নতুন করে লেখার সম্ভাবনা ক্ষুদে সুরিয়াভানশিরই বেশি।

ক্রিস গেইল যদি একালের ব্যাটার হতেন, তাহলে কি এই বৈভব সুরিয়াভানশির মতই খেলতেন? দু’জনার মানসিকতা একই। ভয়ডরহীন ব্যাটিংয়ের ধারা যেন গেইলের কাছ থেকেই উত্তরাধিকার সূত্রে পেয়েছেন সুরিয়াভানশি।

ব্যাট হাতে ঝড় তুলতে এই তরুণ বিস্ময়য়ের কোনো জুড়ি নেই। ‘লিটল লিজেন্ড’ সুরিয়াভানশি বয়সে ছোট হলেও ছক্কা মারার দাপটে তিনি ইতোমধ্যেই সিনিয়রদের পেছনে ফেলে দিয়েছে।

মাঠে নামলেই যেন একটাই মিশন—বলকে গ্যালারির বাইরে পাঠানো। তার ব্যাটিংয়ে অনেকেই খুঁজে পাচ্ছেন কিংবদন্তি ক্রিস গেইলের-এর ছায়া। টি-টোয়েন্টি ক্রিকেটে ছক্কার রাজা হিসেবে পরিচিত গেইল ২০১২ সালে আইপিএলের এক মৌসুমে হাকান ৫৯টি ছক্কা—যা এখনো এক অনন্য রেকর্ড হয়ে আছে।

এদিকে সুরিয়াভানশি ইতোমধ্যেই সেই রেকর্ডের খুব কাছাকাছি পৌঁছে গেছে। আর মাত্র ২৩টি ছক্কা মারলেই গেইলের সেই ঐতিহাসিক মাইলফলক ভেঙে দিতে পারবেন এই তরুণ ব্যাটার। সবচেয়ে বড় কথা, এখনো মৌসুমের অনেক ম্যাচ বাকি—মানে সুযোগও প্রচুর।

আর ব্যাট হাতে একবার নামলে ছক্কা হাকানো তো তাঁর জন্য নস্যি! নতুন ছক্কা সম্রাটের খেতাব পাওয়ার মিশনে তাঁর সাথে দৌঁড়ে আরও কয়েকজন আছেন। দ্বিতীয় স্থানে থাকা অভিষেক শর্মা অবশ্য নয়টি ছক্কা পিছিয়ে আছেন।

সুরিয়াভানশি যেখানে চলতি আসরে রাজস্থান রয়্যালসের হয়ে ৩৭ টি ছক্কা হাকান সেখানে সানরাইজার্স হায়দ্রাবাদের অভিষেকের ছক্কার সংখ্যা ২৮ টি। ইতিহাসটা তাই নতুন করে লেখার সম্ভাবনা ক্ষুদে সুরিয়াভানশিরই বেশি।

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link