আগলে রাখার কাজটা ভালোই জানেন বিরাট!

একের পর এক ব্যাটার ঝড় তুলছেন। সেই ঝড়ের মাঝে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে আছে এক মহীরুহ। সে শুধু দেখছে শান্ত চোখে, আর নীরবে করে যাচ্ছে নিজের কাজটা। এ যুগের টি-টোয়েন্টির ভাষা একটাই, মারকাটারি ব্যাটিং। তবে, বিবর্তনবাদের এই দর্শনকে পাশ কাটিয়ে রাখলেন বিরাট কোহলি। তাঁর পুঁজি কেবল সৌন্দর্যের কারুকাজ, আর দলকে বিপদ থেকে বাঁচিয়ে রাখা।

একের পর এক ব্যাটার ঝড় তুলছেন। সেই ঝড়ের মাঝে নিশ্চুপ দাঁড়িয়ে আছে এক মহীরুহ। সে শুধু দেখছে শান্ত চোখে, আর নীরবে করে যাচ্ছে নিজের কাজটা। এ যুগের টি-টোয়েন্টির ভাষা একটাই, মারকাটারি ব্যাটিং। তবে, বিবর্তনবাদের এই দর্শনকে পাশ কাটিয়ে রাখলেন বিরাট কোহলি। তাঁর পুঁজি কেবল সৌন্দর্যের কারুকাজ, আর দলকে বিপদ থেকে বাঁচিয়ে রাখা।

সঙ্গী করে নেমেছিলেন ফিল সল্টকে। সেই সল্ট রীতিমতো শাসন করেছে মুম্বাইয়ের বোলারদের। সেই ঝড় যখন থেমেছে, বাইশ গজ কাঁপিয়েছেন তখন রজত পাতিদার। তবে কেবল নিজের দর্শনকে পুঁজি করে এক প্রণয়ের কাব্য করলেন বিরাট।

আঙ্করিং রোলটা এখন সেকেলে হয়েছে। সল্ট, পাতিদার পাশ কাটিয়ে বিরাটের ধীরগতির ইনিংসটা অনেকের কাছে চোখের বালি। তবে একপ্রান্ত নিজের মালিকানাধীন করে বিরাট কোনো আঁচ লাগতে দেননি রয়্যাল চ্যালেঞ্জার্স ব্যাঙ্গালুরুর ওপর।

সল্টের সাথে ১২০ রানের জুটি, এরপর রজতের সাথে তুলেছেন ৬৫। ১৮৫ রান পর্যন্ত উইকেটে থেকেছেন। সল্ট-রজতরা যে বুক ফুলিয়ে ব্যাট চালিয়েছে তার পেছনে সাহস হয়ে থেকেছেন বিরাট কোহলি।

শেষমেষ ব্যাট থেকে এসেছে ৩৮ বলে ৫০ রানের ইনিংস। না, বিরাট কোনো ঝড় তোলেননি। তিনি এক শান্ত নদীর মহনায় দাঁড়িয়ে কেবল উপভোগ করেছেন সময়টাকে। আরসিবিকে গড়ে দিয়েছেন এক শক্তিশালী ভিত। যার ওপর দাঁড়িয়ে সল্ট-রজতরা গড়ে তুলেছে তাদের ইনিংস।

ক্রিকেটে একটা কথা প্রচলিত আছে, সব বল মারার নয়, কিছু বল থাকে আউটেরও। এই একই উদাহরণ টানা যায় কোহলির বেলায়। সব ব্যাটারের কাজ শুধু ঝড় তোলা নয়, কারো কারো উচিত হাল ধরা। এটা রানের গতি কমায় না, বরং আগলে রাখে। বিরাট কোহলি সেই আগলে রাখার কাজটাই করেছেন।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link