এই অভিষেককে থামাবে কে?

অন্য প্রান্ত থেকে সাঞ্জু স্যামসন, ইশান কিষাণ, শ্রেয়াস আইয়াররা অল্প রানেই সাজঘরে ফিরে যাচ্ছিলেন, কিন্তু, অভিষেককে থামাবে কে!

মাঠ বদলায়, জার্সির রঙ পাল্টায়, তবে, অভিষেক শর্মা মানুষটা যেন পাল্টান না। ইন্ডিয়ান প্রিমিয়ার লিগ (আইপিএল) শেষ হওয়ার পর প্রথমবার মাঠে নেমেছিলেন, কিন্তু, আয়ারল্যান্ডের বোলারদের যেভাবে শাসন করলেন তাতে মনেই হলো না অভিষেক অনেক দিন মাঠে ছিলেন না। নিজের চিরাচরিত ঝড়ো ব্যাটিংয়ে এবার বিধ্বস্ত করে ফিফটি তুললেন আয়ারল্যান্ডের মাঠে।

১৮৩ রান তাড়া করতে নেমে শুরু থেকেই আক্রমণাত্মক ব্যাটিং চালিয়ে যান অভিষেক। অন্য প্রান্ত থেকে সাঞ্জু স্যামসন, ইশান কিষাণ, শ্রেয়াস আইয়াররা অল্প রানেই সাজঘরে ফিরে যাচ্ছিলেন, কিন্তু, অভিষেককে থামাবে কে!

একবারের জন্যেও নিজের খেলার গতি পালটে দেবার কথা ভাবেননি অভিষেক। বরং, আয়ারল্যান্ডের বোলাররা যেখানে ভারতের ওপর চাপ বাড়াচ্ছিল, তখন এক প্রান্ত থেকে তরবারির মতো ব্যাট চালিয়ে তাদের ব্যতিব্যস্ত করে রেখেছেন। 

ক্রিজে ছিলেন মাত্র আট ওভার। তবে, অভিষেকের জন্য নিজের ব্যাটিংয়ের রেশ রেখে দিতে এই অল্প সময়ই যেন অনেক কিছু। আউট হওয়ার আগে খেলেন মাত্র ২০ বল। সাত চার আর দুটি ছক্কায় আসে পুরো ৫০ রান।

পুরো আড়াইশো স্ট্রাইক রেটের এই ইনিংস যেন অভিষেকের ব্যাটিং ক্যারিয়ারে যোগ হওয়া নতুন এক পালক মাত্র। ২২ গজে নামার আগেই নিজের খেলার স্টাইলের কথা ঠিক করে রাখেন এই ওপেনার। আক্রমণ, কেবল আক্রমণই যেখানে তাঁর ব্যাটিংয়ের একমাত্র ভাষা। 

লেখক পরিচিতি

বেঁচে আছি না পড়া বইগুলো পড়ব বলে

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

গোল-আকালের অবসান ঘটাবেন রোনান!

বয়সভিত্তিক ফুটবলে রোনান সুলিভান অবশ্য নিজের সামর্থ্যের স্বাক্ষর রেখেছেন। ২০২৬ সালের সাফ অনূর্ধ্ব-২০ চ্যাম্পিয়নশিপে বাংলাদেশের শিরোপা জয়ের পথে পাকিস্তানের বিপক্ষে জোড়া গোল করেছিলেন তিনি। ফাইনালে ভারতের বিপক্ষে টাইব্রেকারেও গোল করেন এই তরুণ ফরোয়ার্ড। কৌশলগতভাবে রোনানকে কার্যকর করে তুলতে প্রয়োজন উইং থেকে নির্ভুল ক্রস, মাঝমাঠ থেকে থ্রু পাস এবং আক্রমণের শেষ তৃতীয়াংশে দ্রুত বল সরবরাহ। প্রতিপক্ষ নিচু ব্লকে রক্ষণ সাজালে বক্সে তাঁর পজিশনিং ও ফিনিশিং গুরুত্বপূর্ণ হবে। অন্যদিকে, প্রতিপক্ষের প্রেসিং মোকাবিলায় বাংলাদেশের প্রয়োজন দ্রুত পাসিং, বলের দখল ধরে রাখা এবং রক্ষণ থেকে আক্রমণে কার্যকর উত্তরণ।

Share via
Copy link