বৈভব কেন সবার থেকে আলাদা?

২৮ বলে ৪৬ রানের ইনিংস। স্কোরকার্ড দেখে বিশেষ কিছু মনে না হওয়াটাই স্বাভাবিক। এর উপর ব্যাটারের নাম যখন বৈভব সুরিয়াভানশি, তবে তো এই স্কোরটাকে তুচ্ছতাছিল্যও করা যায়। এর মধ্যে বৈভবের ফ্লেভার যে একদমই নেই। তবে উইকেট বিবেচনা করলে এই ইনিংসের গুরুত্ব কোন মানদণ্ডেই মাপা সম্ভব না।

২৮ বলে ৪৬ রানের ইনিংস। স্কোরকার্ড দেখে বিশেষ কিছু মনে না হওয়াটাই স্বাভাবিক। এর উপর ব্যাটারের নাম যখন বৈভব সুরিয়াভানশি, তবে তো এই স্কোরটাকে তুচ্ছতাছিল্যও করা যায়। এর মধ্যে বৈভবের ফ্লেভার যে একদমই নেই। তবে উইকেট বিবেচনা করলে এই ইনিংসের গুরুত্ব কোন মানদণ্ডেই মাপা সম্ভব না। এখানেই বৈভব ভিন্ন পরিচয় সামনে আনলেন, তিনি শুধু মারতেই পারেন এমন না, পরিস্থিতি বুঝেও ব্যাট চালানোর বিরাট ক্ষমতা তাঁর মাঝে আছে।

বৈভব উইকেটে আসবেন, তাণ্ডব চালাবেন, ঝড়ের গতিতে রান করে বিদায় বলবেন। ১৫ বছরের বৈভব এটা করেই তামাম দুনিয়া কাপিয়ে দিয়েছেন। এই ২৮ বলে ৪৬ রানের কথা বললাম, এটা তাঁর নামের পাশে যে একেবারেই বেমানান। এই রান করতে তো আর ১৫ বলই যথেষ্ট। তবে ইডেন গার্ডেন্স যে আজ ভিন্ন কিছু লিখে রেখেছিল ব্যাটারদের জন্য।

 কেউ না বুঝলেও বৈভব সেটা বুঝে গিয়েছিলেন আগেভাগেই। তাই তো নিজেকে অন্যদিনের তুলনায় গুটিয়ে রাখলেন একটুখানি। বোলার এবং লাইন- লেন্থ বুঝেই ব্যাট চালালেন। তবে উইকেট কঠিন হলে কি হবে,  রানের গতিতে ভাটা পড়তে দেননি তিনি। পাওয়ার প্লেতে রাজস্থান রয়্যালসকে এনে দিয়েছেন ৬৩ রান।

শেষমেষ ২৮ বলে ৪৬ রান করেই ফিরতে হয়েছে। যেখানে ১৬৪ স্ট্রাইক রেটটা মোটেও বৈভবসুলভ নয়। তবে এই ইনিংসটার মাহাত্ম্য যেকোনো ব্যাটারের ব্যাট থেকে আসা ৭০ রানের চেয়ে কম নয়। কেন বলছি এই কথা, হিসাবটা পরিষ্কার করা যাক।

নবম ওভারের মাথায় বৈভব আউট হয়েছেন। আট ওভার পর্যন্ত রাজস্থান তুলেছিল ৭৯ রান। এবার বৈভব ফিরে যাওয়ার পর বাকি ১২ ওভারে রাজস্থানের সংগ্রহ নয় উইকেট হারিয়ে ৭৬ রান। এই পার্থক্যটাই বৈভবের গ্রেটনেস বুঝিয়ে দেয়। বাকি ব্যাটাররা যেখানে হাসফাঁস করেছেন, বৈভব সেখানে অবলীলায় রান করে গেছেন। অন্যদিনের তুলনায় কিছুটা ধীরলয়ে ব্যাটিং করলেও   ঐ শুরুটা এনে না দিলে ১৩০ পার করা কষ্ট হয়ে যেত রাজস্থানের। বৈভব এখানেই বাকিদের থেকে আলাদা, একটু ওপরেই।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

শিরোপার উল্লাসে লেখা হবে জামালের বিদায়গাথা?

ডেনমার্কের কোপেনহেগেনে জন্ম নেওয়া জামালের ফুটবলের হাতেখড়ি ইউরোপের যুব ফুটবল কাঠামোয়। ব্রন্ডবি আইএফের যুব দল পেরিয়ে মাত্র ১৪ বছর বয়সে সুযোগ পান এফসি কোপেনহেগেনের যুব দলে। সামনে ছিল পেশাদার ফুটবলে প্রতিষ্ঠিত হওয়ার স্বপ্ন। কিন্তু ২০০৬ সালে, মাত্র ১৬ বছর বয়সে, গ্যাং-সংক্রান্ত গোলাগুলির মধ্যে পড়ে তাঁর শরীরে বিদ্ধ হয় চারটি বুলেট। কয়েক দিন কোমায় থাকার পর শুরু হয় দীর্ঘ চিকিৎসা ও পুনর্বাসন। একটা সময় আশঙ্কা দেখা দিয়েছিল, হয়তো আর কখনো ফুটবলে ফেরা হবে না তাঁর। কিন্তু জামাল ফিরলেন, হয়ে রইলেন বাংলাদেশ ফুটবলের এক জীবন্ত কিংবদন্তী!

Share via
Copy link