ইংল্যান্ডের করুণ দশা, ওয়েস্ট ইন্ডিজের দারুণ জয়

ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজ লড়ল বুক চিতিয়ে। অথচ এদিনের শুরুতে দাপট দেখিয়েছিল ইংল্যান্ড।

ইংরেজ শাসনের বিরুদ্ধে ওয়েস্ট ইন্ডিজ লড়ল বুক চিতিয়ে। শাই হোপের দল ব্যাটে-বলে কোণঠাসা করেছে হ্যারি ব্রুকদের। ৩০ রানের জয়ে ক্যারিবিয়ানরা টেবিলের শীর্ষে। শেরফেন রাদারফোর্ডের আগ্রাসনের সংগ্রামকে বোলিং ইউনিটের পূর্ণ সম্মান। ইংল্যান্ডকে গুটিয়ে দিয়েছে তারা ১৬৬ রানে।

অথচ এদিনের শুরুতে দাপট দেখিয়েছিল ইংল্যান্ড। আট রানের মাথায় তুলে নেয় ওয়েস্ট ইন্ডিজের দুই উইকেট। কিন্তু এরপর খোলসবন্দী হননি ক্যারিবিয়ান ব্যাটাররা। স্রোতের বিপরীতে বাঁধা হয়ে দাঁড়িয়ে যান রাদারফোর্ড। তার সাত ছক্কার ৭৬ রান ওয়েস্ট ইন্ডিজের সংগ্রহকে নিয়ে যায় ১৯৬ অবধি। মাঝে অবশ্য ১৭ বলে ৩৩ রানের ঝড় তুলেছিলেন জেসন হোল্ডারও।

আগ্রাসনের সাথে আপোষ না করার পরও বহুদূর পথ পাড়ি দিয়ে ফেলে ওয়েস্ট ইন্ডিজ। ২০০ ছাড়ানো গণ্ডি তাদের জন্য হতে পারত মানসিক স্বস্তি। তবুও যেটুকু পুঁজি ছিল, তাই নিয়ে লড়াইয়ের জন্য প্রস্তুত হয়ে যান ক্যারিবিয়ান বোলাররা। জশ বাটলার, ফিল সল্টের মত নামজাদা ব্যাটারদের বিরুদ্ধে যেকোন লক্ষ্যমাত্রাই তো যক্ষের ধন।

উইকেট তুলে নেওয়ার বিকল্প নেই। স্কোরবোর্ডে রান খুব একটা খারাপ নেই। এমন ভাবনা থেকেই গুদাকেশ মতি ব্যাটারদের ফেললেন প্রলোভনের ফাঁদে। ৩৩ রানের বিনিময়ে মতি তুললেন তিন খানা উইকেট। টম বেনটন, জ্যাকব বেথেল, হ্যারি ব্রুক- এই তিন ইংরেজ ব্যাটার মতির শিকার। রস্টন চেজ তুলে ফেললেন আরও দু’খানা- জশ বাটলার আর উইল জ্যাকস।

আর কিছুই তো থাকে না বাকি। এক স্যাম কারেন লড়াই করলেন। সেই লড়াইয়ে স্রেফ ব্যবধান কমল জয় এলো না। শেষমেশ ১৬৬ রানে সবক’টি উইকেট হারিয়ে থামতে হল ইংল্যান্ডকে। আগের ম্যাচে নেপালের বিরুদ্ধেও প্রায় হেরেই যেতে বসেছিল ইংল্যান্ড। এমন দশায় এবার ইংরেজদের নিয়ে শিরোপার আশা করা দায়।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link