কোয়ালিফায়ার মহারণ, জিতলেই ফাইনাল। শেষ ওভারে উত্তেজনা চরমে, জিততে হলে দলের চাই নয় রান, হাতে আছে ছয় বল। এমন চাপের মুহূর্তে অধিনায়ক মাথাটা ঠান্ডা রাখলেন। সুযোগ বুঝে লং অফের ওপর দিকে ছক্কা হাঁকালেন। এক নিমিষেই ম্যাচের ফলাফল নিয়ে এলেন হাতের মুঠোয়। দলকে জয়ের আনন্দে ভাসালেন, ফাইনালের টিকিটটা উইহার দিলেন। শেষমেষ ব্যাট থেকে এলো নয় বলে ১৯ রানের এক ম্যাচ জেতানো নক।

এ তো গেল মেহেদীর ব্যাটিং কথন। বল হাতেও যে রাজশাহীকে চেপে ধরেছিলেন। চার ওভার হাত ঘুরিয়ে ২০ রানের বিনিময়ে তুলে নিয়েছেন দুই উইকেট। ফিরিয়েছেন প্রতিপক্ষের সেরা দুই ব্যাটারকে। দিনশেষে তাই ম্যাচ সেরার পুরস্কারটাও উঠেছে মেহেদীর হাতেই।
তবে মেহেদীর বীরত্ব যে এই এক ম্যাচেই সীমাবদ্ধ নয়। আসরজুড়েই তো অন্ধকারে দলকে পথ দেখিয়েছেন। সমালোচনার আঘাতে জর্জরিত দলের অধিনায়ক, তুচ্ছ-তাচ্ছিল্য যে কম হয়নি। তাতে কি? মাঠের খেলাটাই যে আসল। সেখানে মেহেদী পাবেন ১০০ তে ১১০। কী করেন তিনি, বল হাতে কিংবা বিপদে ব্যাট কাঁধে ছুটে এসেছেন। সবচেয়ে বড় কথা একটা ভঙ্গুর দলকে দাপটের সঙ্গে ফাইনালে তুলেছেন।

Share via:











