বিশাল জয়ে ফেরার হুঁশিয়ারি বার্সেলোনার

লা লিগায় বার্সেলোনা সবশেষ কবে জিতেছিল, প্রশ্নটা করলে উত্তর খুঁজতে আপনাকে যেতে হবে অনেক পিছনে। আপনি যদি সত্যিই পিছনের দিকে যান তাহলে একেবারে গত বছরের ডিসেম্বরে পৌঁছে যাবেন। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মায়োর্কাকে হারিয়েছিল তাঁরা, এরপর থেকেই লিগে জয়বিহীন দলটা। সেই ক্ষোভ অবশ্য ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ঝেড়েছে রাফিনহা, ইয়ামালরা। 

৭-১ – ব্রাজিলের জন্য যে স্কোরলাইন দু:স্বপ্নের চেয়ে বেশি, সেটাই এবার বার্সেলোনার জন্য নিয়ে এলো স্বর্গীয় আনন্দ। ভ্যালেন্সিয়ার জালে গুণে গুণে সাতবার বল পাঠিয়ে স্মরণকালের সবচেয়ে বড় জয় উদযাপন করলো তাঁরা, অবশ্য বড় জয় কেন, লিগে জয় পাওয়া-ই তো ভুলতে বসেছিল তাঁরা।

লা লিগায় বার্সেলোনা সবশেষ কবে জিতেছিল, প্রশ্নটা করলে উত্তর খুঁজতে আপনাকে যেতে হবে অনেক পিছনে। আপনি যদি সত্যিই পিছনের দিকে যান তাহলে একেবারে গত বছরের ডিসেম্বরে পৌঁছে যাবেন। ডিসেম্বরের প্রথম সপ্তাহে মায়োর্কাকে হারিয়েছিল তাঁরা, এরপর থেকেই লিগে জয়বিহীন দলটা। সেই ক্ষোভ অবশ্য ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে ঝেড়েছে রাফিনহা, ইয়ামালরা।

দলের দুই মূল তারকা রবার্ট লেওয়ানডস্কি আর পেদ্রি গঞ্জালেজকে ছাড়াই এদিন একাদশ সাজিয়েছিলেন হ্যান্সি ফ্লিক। তবু প্রতিপক্ষের ওপর তান্ডব চালাতে ভুল হয়নি তাঁর শিষ্যদের। মাত্র তিন মিনিটের মাথায় স্কোরবোর্ডে পরিবর্তন আনেন ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং।

ফারমিন লোপেজের জোড়া গোল আর রাফিনহা-তোরেসের সুবাদে বিরতির আগেই ৫-০ গোলে এগিয়ে যায় তাঁরা। দ্বিতীয়ার্ধে অবশ্য ঝড়ের তীব্রতা কমে আসে, শেষপর্যন্ত ৭-১ গোলের নাটকীয় এক স্কোরলাইন নিয়ে মাঠ ছাড়ে কাতালান জায়ান্টরা। ম্যাচ দেখেছে এমন প্রতিটা চোখ জানে এদিন কেমন অনায়াসে প্রতিপক্ষকে নিয়ে ছেলেখেলায় মেতে উঠেছিল তাঁরা।

বার্সেলোনা রিয়াল মাদ্রিদকে হারিয়ে স্প্যানিশ কাপ জিতেছে, চ্যাম্পিয়ন্স লিগেও তাঁরা আছে টেবিলের দুই নম্বরে। কিন্তু লা লিগায়? সেখানে তাঁদের অবস্থা কেমন? মোটেই ভাল না, ভ্যালেন্সিয়ার বিপক্ষে মাঠে নামার আগে শেষ আট ম্যাচ থেকে স্রেফ ছয় পয়েন্ট পেয়েছিল দলটি – তাই, বিধ্বংসী জয়টা তাঁদের জন্য নতুন শুরুর উপলক্ষ হয়ে এসেছে সেটা বলতেই হয়।

হিংস্র হ্যান্সি ফ্লিক সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার ডাগআউটে আছেন ৩২ ম্যাচ। এরই মধ্যে তাঁর গোল সংখ্যা ছাড়িয়ে গিয়েছে তিন অঙ্কের গন্ডি, অর্থাৎ গড়ে প্রতি ম্যাচে তিন গোলের বেশি আদায় করে নিচ্ছেন তিনি – এভাবে চলতে থাকলে বার্সার সুসময় আসতে দেরি হবে না আর।

Share via
Copy link