পাকিস্তানের বিপক্ষে সবচেয়ে বড় জয় তুলে নিয়েছে বাংলাদেশ। রেকর্ড গড়া এই জয় রুখতে শাহীন শাহ আফ্রিদির কাছ থেকে দেখা মেলেনি তেমন কোন তৎপরতার। বোলার হিসেবে ব্যর্থ হওয়ার পাশাপাশি দলনেতা হিসেবেও ব্যর্থ হয়েছেন তিনি। বাংলাদেশের কাছে স্বল্প রানে গুটিয়ে যাওয়ার পর রীতিমত নিরুত্তর হয়ে যান পাকিস্তানি অধিনায়ক।
আট উইকেট ও ২০৯ বল বাকি থাকতে জিতেছে বাংলাদেশ। এটি পাকিস্তানের বিপক্ষে বাংলাদেশের ইতিহাস গড়া জয়। আর এমন এক রেকর্ডের বিপরীত পাশে থাকতে হয়েছে শাহীন শাহ আফ্রিদিকে। বোলার আফ্রিদি ধুকছেন বেশ লম্বা সময় ধরেই। ওয়ানডে অধিনায়কত্ব পাওয়ার পর তিনি এই নিয়ে ছয়টি ম্যাচে মাঠে নেমেছেন।
এই ছয় ম্যাচে তার ঝুলিতে যুক্ত হয়েছে মোটে পাঁচটি উইকেট। যার তিনটিই আবার টেল এন্ডার ব্যাটারদের। বাংলাদেশের বিপক্ষে খেলতে নেমে তিনি সাইফ হাসানকে আউট করলেও, তার বোলিংয়ে ছিল না সেই পূর্বের ঝাঁজ। নির্বিষ বোলিং তিনি করে যাচ্ছেন লম্বা সময় ধরেই। মাত্র ১১৪ রানের পুঁজি। এমন ম্যাচে শাহীন খরচা করেছেন ৩৫ রান। ছিলেন দলের সবচেয়ে খরুচে বোলার।

এত স্বল্প সংগ্রহ রক্ষা করতে পাকিস্তানের প্রয়োজন ছিল শুরুতেই বাংলাদেশকে চাপে ফেলা। বোলার হিসেবে সে কাজটা করতে ব্যর্থ হয়েছেন শাহীন। পাশাপাশি অধিনায়ক হিসেবেও বাংলাদেশকে চাপে ফেলতে পারেননি। বোলিং ইনিংসের শুরুতে নিজের সেরা অস্ত্র ব্যবহার করতে হতো।
কিন্তু শাহীন বল তুলে দিয়েছিলেন ফাহিম আশরাফের হাতে। দলে মোহাম্মদ ওয়াসিম, আবরার আহমেদদের মত জাত বোলাররা ছিলেন। তাদেরকে দিয়ে বল করালে কালক্ষেপণ করা দিনশেষে সম্ভব হলেও হতে পারত। কিন্তু ফাহিমের তুলে দেওয়া নতুন বলের মান রাখতে ফাহিম ব্যর্থ হয়েছেন। দুই ওভারে খরচা করেছেন ১৯ রান।
শাহীন-ফাহিম দুই জনের মুক্তহস্তের রান বিলানো পাকিস্তানের জন্য গড়ে দিয়ে এক নেতিবাচক অধ্যায়। তবে সেই সাথে জাগিয়েছেন সংশয়। অধিনায়ক হিসেবে আফ্রিদি কি যথার্থ? বোলার আফ্রিদি কি এখন পাকিস্তান দলের জন্য বোঝা?











