যত্ন নিলে নাহিদের রত্ন হওয়া কেবল সময়ের অপেক্ষা!

নাহিদ যে বিশেষ ধাতুতে গড়া তা অনেক কিংবদন্তি যে বুঝে গিয়েছিলেন শুরুর দিকেই। বোলারদের জন্য গতি অমূল্য সম্পদ, এটা থাকলেই বাকিটা গড়ে নেওয়া যায়, ওয়াকার ইউনূস যেমন নাহিদের যত্নের কথা বলেছেন, ফিট থাকার উপদেশ দিয়েছেন।

‘ওয়াকার ইউনূস আমাকে বলেছে ফিট থাকতে, নিজের যত্ন নিতে। এটাও বলেছে, তুমি এখনও খুব ছোট, আমি কী বলছি সেটা এখন নাও বুঝতে পারো।’  নাহিদ রানা না বুঝতে পারলেও পুরো ক্রিকেট মহল জেনে গেছে এই ছেলেটা বাংলাদেশের বিরাট রত্ন। সবে কুড়ি হয়ে ফুটেছেন নাহিদ, যত্ন নিলে সুমিষ্ট ফল হয়ে উঠবেন তিনি।

বাংলাদেশে এমন এক্সপ্রেস গতির বোলার দুষ্পাপ্য সম্পদ। লাল-সবুজের জার্সি গায়ে চাপিয়ে আনকোরা এক ছোকরা ১৫০ গতিতে বল ছুঁড়ছে, তীরের মতো বাউন্সারে ব্যাটারকে মাটিতে মিশিয়ে দিচ্ছে, এমন দৃশ্য বছর কয়েক আগে কেবল কল্পনা করাই যেত। তবে নাহিদ সেই কল্পনাকে বাস্তবে টেনে এনেছেন।

নাহিদ যে বিশেষ ধাতুতে গড়া তা অনেক কিংবদন্তি যে বুঝে গিয়েছিলেন শুরুর দিকেই। বোলারদের জন্য গতি অমূল্য সম্পদ, এটা থাকলেই বাকিটা গড়ে নেওয়া যায়, ওয়াকার ইউনূস যেমন নাহিদের যত্নের কথা বলেছেন, ফিট থাকার উপদেশ দিয়েছেন। অন্যদিকে শন টেইট তাঁকে গড়ে তোলার দায়িত্ব নিয়েছেন। এমন সব কিংবদন্তিদের সান্নিধ্যে আসলে যে নিজের সেরাটা বের হয়ে আসবেই।

ঠিক যেমনটা পাকিস্তানের বিপক্ষে করে দেখালেন। মিরপুরের মাটি স্পিনাদের ঘাটি, এমন স্লোগানকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে সবটা নিজের করে নিলেন। সাত ওভার ২৪ রান পাঁচ উইকেট। পাকিস্তানি ব্যাটারদের কাছে কোন জবাব ছিল না নাহিদের ছোড়া অগ্নিস্ফুলিঙ্গকে রুখে দেওয়ার। তবে নাহিদের এই সেরাটা টেনে নিয়ে আসছেন টেইট। মাঠের বাইরে থেকে যা করার করে যাচ্ছেন তিনি, নাহিদদের সাহস যুগিয়ে যাচ্ছেন।

প্রেস কনফারেন্সে অকপটে সেটা শিকার করেছেন নাহিদ। তিনি বলেন, ‘শন টেইট আমাদের বন্ধুর মতো, উনি বলেন যে আমার কাজ মাঠের বাইরে পরিকল্পনা করা, মাঠের কাজ তোমাদের। আমি জানি মাঠে তোমরা জিততে পারবে।’

নাহিদের বয়স সবে ২৩ বছর। এখনও দীর্ঘ পথ পড়ে আছে তাঁর সামনে। সেই পথে হাঁটতে গেলে যে দরকার যত্ন। নাহিদ সেটা পেলেই ক্রিকেট বিশ্ব পেতে যাচ্ছে এক অমূল্য রত্ন।

লেখক পরিচিতি

স্টাফ রিপোর্টার

ত্রিদেশীয় সিরিজে তুরুপের তাস কারা?

দীর্ঘ বিরতির পর বাংলাদেশের ওয়ানডে দলে হাসান মাহমুদের প্রত্যাবর্তন, তবে টেস্ট ক্রিকেটে নিয়মিত পারফরম্যান্সে নিজের সামর্থ্যের জানান দিয়ে চলেছেন হাসান! লাল বলের ক্রিকেটে তাঁর বোলিংয়ের ধার এবার সাদা বলেও দেখতে চাইবে লাল-সবুজের পতাকাবাহীরা। গতি, নিয়ন্ত্রিত লাইন-লেংথ আর ব্যাটারকে ভুল করতে বাধ্য করার দক্ষতা তাঁকে করে তুলতে পারে পেস আক্রমণের গুরুত্বপূর্ণ অস্ত্র। নতুন বলে উইকেট তুলে নেওয়া থেকে শুরু করে মাঝের ওভারে রান আটকে রাখা, প্রতিটি ক্ষেত্রেই তাঁর ভূমিকা হতে পারে তাৎপর্যপূর্ণ। টেস্টের আত্মবিশ্বাস ওয়ানডেতেও অনূদিত হলে হাসানের প্রত্যাবর্তন বাংলাদেশের বোলিংয়ে যোগ করতে পারে বাড়তি ধার। তবে একাদশে সরাসরি জায়গা পাবেন কি না, তা নিয়ে রয়েছে সংশয়ের জায়গা।

Share via
Copy link