কুলদ্বীপ ইজ টু কুল টু হ্যান্ডেল!

আর সেই সুযোগে কুলদ্বীপ নিজেকে ধরে রাখা সুঁতোকে বানিয়েছেন লোহার শেকল। পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি।

একটা পাতলা সুঁতোয় ঝুলে ছিলেন কুলদ্বীপ যাদব। ভারতের একাদশে তার সুযোগ পাওয়ার সম্ভাবনা এবার অন্তত ততটাও প্রবাল ছিল না। বরুণ চক্রবর্তী প্রাধান্য পেতে চলেছেন, তেমনটাই ছিল প্রাথমিক ধারণা। কিন্তু শেষ অবধি কুলদ্বীপের উপরই ভরসা রেখেছে ভারতের টিম ম্যানেজমেন্ট। আর সেই সুযোগে কুলদ্বীপ নিজেকে ধরে রাখা সুঁতোকে বানিয়েছেন লোহার শেকল।

পাকিস্তানের বিপক্ষে তিনটি উইকেট তুলে নিয়েছেন তিনি। গুরুত্বপূর্ণ সময়ে তিনি ভারতকে এনে দিয়েছেন উইকেট। আঘা সালমানকে নিজের প্রথম উইকেট হিসেবে শিকার করেন তিনি। অত্যন্ত মূল্যবান একটা উইকেট বটে।

আঘা সালমান পাকিস্তানের এই স্কোয়াডের অন্যতম পারফর্মার। নিউজিল্যান্ডের বিপক্ষে তো রীতিমত ঝড় তুলেছিলেন তিনি। মাত্র ২৮ বলে ৪২ রানের ঝড়ো ইনিংস উপহার দিয়েছিলেন সালমান। পাকিস্তানের পরাজয়ের ব্যবধান সেদিন তিনি বেশ খানিকটা কমিয়েছিলেন বটে। কিন্তু তিনি যে ম্যাচটি জিততে চেয়েছিলেন সে বিষয়ে কোন সন্দেহ নেই।

ভারতের বিপক্ষে অবশ্য ততটাও আক্রমণাত্মক হওয়ার সুযোগ মেলেনি সালমান আলি আঘার। তবে তিনি থেকে গেলে ভারতের জন্যে লক্ষ্যমাত্রা বেড়ে যেত সেটা প্রায় নিশ্চিত। সালমানকে ফেরানোর পরের বলেই শাহিন শাহ আফ্রিদিকে প্যাভিলিয়নে পাঠিয়েছেন কুলদ্বীপ। শেষের দিকে যে শাহিনও ব্যাট চালাতে জানেন, সেটা তো সবারই জানা।

একই তথ্য খাটে নাসিম শাহের ক্ষেত্রেও। সেই নাসিমকেও নিজের শিকারে পরিণত করেছেন কুলদ্বীপ যাদব। তাছাড়া বল হাতে রান আটকে রাখার কাজটাও দারুণভাবে সামলে গেছেন ভারতীয় এই চায়নাম্যান। নয় ওভার বোলিং করে মোটে ৪০ রান দিয়েছেন তিনি।

সার্বিকভাবে কুলদ্বীপ পাকিস্তানকে বেশ খানিকটা পেছনের দিকে ঠেলে দিয়েছেন। তাছাড়া ভারতের ব্যাটারদের উপর থেকেও চাপ কমিয়েছেন। ঠিক এ কারণেই তো তার উপর টিম ম্যানেজমেন্ট রেখেছে আস্থা। তিনি ভারতকে নিরাশ করছেন না।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link