ক্লাসি, এগ্রেসিভ, দৃষ্টিনন্দন, ধারাবাহিক, অবিশ্বাস্য! ইব্রাহিম জাদরানের ইনিংসের সাথে যোগ করতে পারেন সকল বিশেষন। বিশেষন কম পড়বে কি?
আফগানিস্তানের ব্যাটিং আলোচনায় তার নাম পাওয়া যায় কদাচিৎই। হেডলাইন দখল করে রাখেন গুরবাজ, ওমারজাই, নবীরা। অথচ বিশ্বকাপের বিশ্বমঞ্চে প্রথম আফগান ব্যাটার হিসেবে সেঞ্চুরি ইব্রাহিম জাদরানের দখলেই।
২০২৩ সালে ১২৯ রানের অপরাজিত ইনিংসের পরেও হেডলাইন দখল করতে পারেন নি ম্যাক্সওয়েলের অতিমানবিক ইনিংসের কারনে। চ্যাম্পিয়নস ট্রফির চ্যাম্পিয়নদের মঞ্চে যেন সেই আক্ষেপটা আর রাখতে চাইলেন না। আরও এক প্রথমের নজীর লিখলেন।

প্রথম আফগান ব্যাটার হিসেবে চ্যাম্পিয়নস ট্রফির মঞ্চে সেঞ্চুরির তালা খুললেন ইব্রাহিম জাদরান। সেঞ্চুরিতেই থামলেন কি? ১৪৬ বলে ১৭৭ রান! ৬ ছক্কা, ১২ চার। লিখলেন চ্যাম্পিয়ন্স ট্রফিরই সেরা ব্যক্তিগত ইনিংসের কাব্য। আফগান ক্রিকেটেরও কি? জোফরা আর্চার কি চাইলেও ভুলতে পারবেন জাদরানকে?
ওপেনিং স্পেলে তিন উইকেট তুলে নিয়ে জানিয়েছিলেন আফগানিস্তানের রান বেশি দূর যাচ্ছে না। ইব্রাহিম যেন বললেন রোশো। টানা তিন বাউন্ডারিতে জানিয়েছেন যাচ্ছি বহুদূর। ছক্কার পর ছক্কায় প্রমান করেছেন, আছি তো! ভয় নেই। মার্ক উড, আদিল রশিদ রেহাই পেয়েছেন কে? রুট, ওভারটনরা তো নস্যি।
আলোচনায় থাকেন না কিন্তু আলোচনায় থাকার জন্য যা যা করা দরকার সবটুকুই করেন ইব্রাহিম। শেষ ১০ ওয়ানডে ইনিংসে রান কতেছেন ৫১১ গড়টা বিরাট কোহলির, প্রায় ৫৭।

ওয়ানডে ক্রিকেটটা খেলেন ওয়ানডের মতই। অহেতুক ঝুকি নেই, রান করাতে ক্লান্তি নেই। আবার রান করতে গিয়ে স্ট্রাইক রেটটাও কমতে দেন না অনেক দেশের তথাকথিত অনেক অভিজ্ঞদের মত। এবার অন্তত ইব্রাহিম জাদরানকে নিয়ে আলোচনা হোক।










