টেস্ট ফরম্যাটে গৌতম গম্ভীরের কোচিং ক্যারিয়ার একেবারেই রঙহীন। ঘরের মাটিতে নিউজিল্যান্ডের কাছে হোয়াইটওয়াশ, এক দশক পর অস্ট্রেলিয়ার বিপক্ষে বোর্ডার-গাভাস্কার ট্রফি হাতছাড়া, আর শেষ ম্যাচে ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে ৩৭১ রানের পাহাড়ও রক্ষা করতে ব্যর্থ—সব মিলিয়ে ভারতের টেস্ট দলের অবস্থা যেমন প্রশ্নের মুখে তেমনই প্রশ্নবিদ্ধ গম্ভীরের কোচিং কৌশল!
ভারতকে চ্যাম্পিয়নস ট্রফি জেতানো, টি-টোয়েন্টিতেও ধারাবাহিক সফলতা, সাদা বলের খেলায় সাফল্যের চূড়ায় আছেন গৌতম গম্ভীর। তবে মুদ্রার ওপিঠে ব্যর্থতার ভারে নুইয়ে পড়ছেন তিনি।
মর্যাদার টেস্ট ফরম্যাটে গম্ভীর মানেই যেন ব্যর্থতার প্রতীক। তার অধীনে ভারত খেলেছে ১১টি টেস্ট। ঘরের মাঠে বাংলাদেশের বিপক্ষে দুটি এবং অস্ট্রেলিয়ার সাথে একটি মোট তিনটি জয় এসেছে। একটি ড্র এবং হারের সংখ্যা ৭টা। এই পরিসংখ্যানগুলো বলে দিচ্ছে কতটা ভয়াবহ সময় পার করছে ইন্ডিয়া।

তবে ব্যর্থ হলেও ভারতীয় ক্রিকেট বোর্ডের সুনজরেই থেকেছেন সবসময়। এমনকি বাড়তি ক্ষমতাও দেওয়া হয়েছে তাকে। খেলোয়াড় নির্বাচন ও কৌশলগত সিদ্ধান্তে ব্যাপক নিয়ন্ত্রণ রয়েছে তার। কিন্তু এই ‘ক্ষমতা’ দলের জন্য কাজ করেনি বরং নেতিবাচক প্রভাব ফেলেছে।
লিডস টেস্টে ভারতের দেওয়া ৩৭১ রানের বিশাল টার্গেট অনায়াসে চেজ হওয়ার পর, সমর্থকেরা প্রশ্ন তুলেছেন গম্ভীরের কোচিং দর্শন এবং পরিকল্পনা নিয়ে।
দীর্ঘমেয়াদি পরিকল্পনার জন্য সিনিয়রদের ছাঁটাই করা, একরোখা মনোভাব, অনভিজ্ঞ দল নিয়ে পরিকল্পনা করা—সবকিছু মিলিয়ে বেশ বিতর্কিত এখন গৌতম গম্ভীর। পরিসংখ্যানও কথা বলছে তাঁর বিপক্ষেই।

ইংল্যান্ডের বিরুদ্ধে প্রথম ম্যাচ হারে অনেকটা কোনঠাসা এখন ভারতীয় দল। গৌতম গম্ভীর দলের উপর বিশ্বাস রাখছেন। তবে প্রশ্ন হলো, গৌতম গম্ভীরের উপর বিশ্বাসটা থাকবে তো!











