চোখের পলকে সবকিছু কিভাবে বদলে যায়, সেটা জাকের আলী অনিকের থেকে ভালো কে জানে? কয়েক দিন আগেও দলের অটোচয়েজ ছিলেন, তবে সময়ের পরিক্রমায় আজ তিনি হিসাবের বাইরে। তবে এই হিসাব-নিকাশের পালা চুকিয়ে আবারও কি দলের নির্ভরযোগ্য নাম হয়ে ফিরতে পারবেন কি?
বাংলাদেশ দলে জাত ফিনিশারের অভাবটা আজন্মকালের। মান্না দের গানের লাইনটা এখানে যথার্থ হয়ে ওঠে, কতজন এলো গেল কতজনই আসবেকফি হাউজটা শুধু থেকে যায়। হ্যাঁ, অনেকজনই তো এসেছেন, আবারও চলেও গেছেন, কিন্তু থিতু হতে পারা লোকের সংখ্যাটা যে খুবই কম।

এখানে জাকের আলী আলো হয়ে এসেছিলেন। আক্ষেপ ঘোচানোর প্রয়াস ছিল তাঁর ব্যাটে। প্রথম দিকে নিজেকে প্রমাণ করেছিলেন ভালোমতোই। অন্যরা ব্যর্থতার শিকলে বন্দি থাকলেও বিপ্লবী হয়ে উঠেছিল জাকের আলীর ব্যাট। নির্ভিক কণ্ঠে জানান দিয়েছিলেন নিজের অস্তিত্বের।
তবে বিশ্বাসও যে সময়ের সাথে সাথে ফুরিয়ে আসে, আস্থার প্রতীক হয়ে দাঁড়ানো অটল দূর্গও টলে যায় সময়ের নির্মম বাতাসে। এশিয়া কাপের আগে যে ছেলেটা ছিল সবচেয়ে বড় ভরসা, এশিয়া কাপের ঠিক পরেই হয়ে গেলেন দলের বোঝা। সমালোচনার সূচালো তীরে জর্জরিত হতে থাকলেন। ফর্মহীনতার চূড়ান্ত ধাপে পৌঁছে গেলেন শেষটাতে। এরপরই যে সব শেষ।

দল থেকে বাদ পড়লেন, অবস্থা এমন হলো বিপিএলেও সুযোগ মিলল সীমিত। সব হারিয়ে জাকের আলী এখন নিঃস্ব প্রায়। তবে চেষ্টার কমতি রাখছেন না। অনুশীলনে নিজেকে ফিরে পেতে মরিয়া হয়ে উঠেছেন। ধাক্কা সামলে আরও একবার উঠে দাঁড়ানোর চেষ্টা করছেন। এ যাত্রায় সফল হবেন কি জাকের? উত্তরটা সময়ই বলে দেবে।
Share via:










