ভিন্ন দাঁড়িপাল্লায় বিরাট-বাবর সমান

বিরাট কোহলি বনাম বাবর আজম। এক অসম দ্বৈরথ। তবে এই দুইজনের অবশ্য বেশ কিছু জায়গায় রয়েছে সমতা।

বিরাট কোহলি বনাম বাবর আজম। এক অসম দ্বৈরথ। তবে এই দুইজনের অবশ্য বেশ কিছু জায়গায় রয়েছে সমতা। কে সেরা বাবর নাকি বিরাট?- সে প্রশ্নকে অবশ্য এখন খানিকটা অমূলকই মনে হয়। তবে বাবর ঝলক অবশ্য দেখিয়েছিলেন সেরাদের কাতারে স্থান করে নেওয়ার। কিন্তু সময়ের স্রোতে বিরাটের সাথে তুলনার সেই মঞ্চ যেন ক্রমশ তলিয়ে যাচ্ছে।

এমনটি অবশ্য বিরাট কোহলির সাথেও একবার ঘটেছিল। ক্যারিয়ারের চূড়ায় ছিলেন তিনি। এরপর হুট করেই ছন্দপতন। দীর্ঘ সময় ধরে চলেছে তার সেঞ্চুরি খরা। লোকে তো বলেই বসল বিরাট সম্ভবত শেষ। ২০১৬-১৯ এই সময়কালে বিরাট ছিলেন ফর্মের তুঙ্গে। কিন্তু ২০২০-২২ এই সময়টা কেটেছে তার নিদারুণ ব্যর্থতায়।

সেই একই ধারা এবার বয়ে যাচ্ছে বাবর আজমের ক্যারিয়ারেও। ২০২৩ সালের পর থেকে তিনি আর সেঞ্চুরি দেখা পাননি। এই খরা এখনও চলমান। দল থেকে বাদ পড়ার মত ঘটনাও ঘটেছে। চূড়া থেকে বিচ্যুতির গল্পে দুইজনই এসে মিলেছেন একই কাতারে। এমনকি অধিনায়ক হিসেবেও এই দুইজনের রয়েছেন একই কেন্দ্রে।

অধিনায়ক থাকাকালীন সময়ে ধুন্ধুমার গতিতে চলেছে বিরাটের ব্যাট। রানের ফোয়ারা ছড়িয়ে পড়েছিল চারিদিকে। বাবর আজমের ক্ষেত্রেও সেটার ব্যতিক্রম অবশ্য ঘটেনি। সমালোচনা থাকলেও রান তিনি ঠিকই করেছেন।

কিন্তু অধিনায়কত্ব হারানোর দিক থেকেও বিরাট-বাবরের পাল্লা সমতায় দোদুল্যমান। অধিনায়ক হিসেবে বিরাট ভারতকে বানিয়েছিলেন টেস্টের সেরা দল। বাবর পাকিস্তানকে টি-টোয়েন্টিতে এক নম্বর দলে পরিণত করেছিলেন।

কিন্তু তবুও তাদের অধিনায়কত্বের অধ্যায় লেপ্টে আছে ব্যর্থতা। বৈশ্বিক কোন শিরোপা জিততে না পারার আক্ষেপ তাদেরকে বাধ্য করেছে অধিনায়কের দায়িত্ব ছাড়তে। এমনকি দুই ক্ষেত্রেই মঞ্চস্থ হয়েছিল নানা নাটকীয়তা।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link