২১৫ স্ট্রাইকরেটের টর্নোডো বয়ে গেল মরুর বুকে। হাসান নাওয়াজের সেই ঝড়ে লণ্ডভণ্ড আরব আমিরাতের আত্মবিশ্বাস। মিডল অর্ডারের ভরসার স্তম্ভ হয়ে নাওয়াজ যেন জানান দিচ্ছেন নিজের আগ্রাসনের।
ধুন্ধুমার ব্যাটিং। একের পর এক বাউন্ডারির বাইরে আছড়ে পড়েছে বল। কখনো দর্শকরা কুড়িয়েছেন, কখনো কুড়িয়েছে আরব আমিরাতের ফিল্ডাররা। রীতিমত তুলোধুনো করেছেন তিনি আমিরাতের বোলারদের। পাকিস্তানের আশার আলো আরও খানিকটা উজ্জ্বল করলেন হাসান নাওয়াজ।
স্রেফ ২৬ বল খেলেছেন তিনি। এর মধ্যে ছক্কা হাঁকিয়েছেন ছয়টি। এক্সট্রা কাভার, লং অফ দিয়ে হাঁকানো ছক্কাগুলো জানান দিয়েছেন তার পাওয়ার হিটিং সক্ষমতা। চারের তুলনায় ছক্কা হাঁকানোতেই যেন তার সমস্ত স্বস্তি। চারের সংখ্যা মাত্র দুইটি। তাতেই তার রান পঞ্চাশ পার। ৫৬ রানে থেমেছেন তিনি।

যে বলে আউট হয়েছেন, তার ঠিক আগের তিনটি বলে হাঁকিয়েছেন একটানা তিন ছয়। নিজের ব্যাটিং গিয়ারকে নিয়ে যাচ্ছিলেন সর্বোচ্চ গতিসীমায়। একটা আলতো ইনসাইড এডজে থামতে হয়েছে তাকে। নতুবা তিনি বনে যেতে পারতেন আরব আমিরাতের কান্না বিশাল বড় কারণ।
সাইম আইয়ুবের আক্রমণাত্মক শুরুর পর, নাওয়াজের ঝড়ো ব্যাটিং পাকিস্তানকে দিয়েছে বড় সংগ্রহের ভীত। ২০০ ছাড়িয়েছে দলের রান। দীর্ঘদিন ধরেই মিডল অর্ডারে ভুগছিল পাকিস্তান। সেই দুর্দশার সমাধান হয়ে হাজির হাসান নাওয়াজ। পাকিস্তান এখন বড় স্বপ্নের বীজ চাইলেই বপন করতে পারে। এশিয়া কাপেই মিলে যেতে পারে ফলাফল।
কিন্তু সেজন্য অবশ্য হাসান নাওয়াজকে হতে হবে ধারাবাহিক। তার মারকাটারি ব্যাটিংয়ের অবারিত ধারা হতে পারে পাকিস্তানের মস্ত বড় সম্পদ। প্রস্তুতিত মঞ্চে তিনি রয়েছেন ছন্দে। এশিয়া কাপে স্রেফ খাবি না খেলেই হয়।












