হিলির ঝড়ে বাংলাদেশের শোচনীয় পরাজয়!

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বাংলাদেশ নারী দল স্রেফ উড়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার সামনে। ব্যাটিংয়ে টেনেটুনে পাশ করলেও বোলিংটা হলো একেবারেই সাদামাটা। আর প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা সেই সুযোগ কাজে লাগালেন, বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলায় মেতে উঠলেন।

কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতা নয়, বাংলাদেশ নারী দল স্রেফ উড়ে গেল অস্ট্রেলিয়ার সামনে। ব্যাটিংয়ে টেনেটুনে পাশ করলেও বোলিংটা হলো একেবারেই সাদামাটা। আর প্রতিপক্ষ ব্যাটাররা সেই সুযোগ কাজে লাগালেন, বাংলাদেশের বোলারদের নিয়ে ছেলেখেলায় মেতে উঠলেন। শেষটাতে অস্ট্রেলিয়া জয় পেল ১০ উইকেটের বিশাল ব্যবধানে।

বিশাখাপত্তনমে এদিন টস জিতে বাংলাদেশ নিয়েছিল ব্যাটিংটা। রুবাইয়া হায়দার ঝিলিকের ব্যাটে সূচনাটা মন্দ ছিল না। ৪৪ রানে যখন ফিরে গেলেন তিনি, দল তখনও দুই উইকেট হারিয়ে ৭৩ রানে দাঁড়িয়ে। অল্প সময়ের ব্যবধানে আরও দুই উইকেটের পতন ঘটলে চাপে পড়ে বাংলাদেশ।

ব্যাট হাতে কিছুটা চেষ্টা চালান সোবহানা মোস্তারি। একপ্রান্তে আগলে রাখেন উইকেট। শেষপর্যন্ত তাঁর ৬৬ রানের ইনিংসে ভর করে বাংলাদেশ তোলে নয় উইকেট হারিয়ে ১৯৮ রান।

অস্ট্রেলিয়ার শক্তশালী ব্যাটিং লাইনআপের সামনে এই রান যে যথেষ্ট নয়, তার প্রমাণ পাওয়া গেল শুরু থেকেই। বোলারদের বিপক্ষে রুদ্রমূর্তি ধারণ করলেন দুই ওপেনার—এলিসা হিলি এবং ফোবি লিচফিল্ড। দুজনে যেন ব্যাট করতে থাকেন টি-টোয়েন্টি মেজাজে।

অধিনায়ক হিলির ব্যাট থেকে আসে আরও এক সেঞ্চুরি। আগের ম্যাচে ভারতের বোলিং লাইনআপ তছনছ হয়েছিল তাঁর ব্যাটে, করেছিলেন ১৪২ রান। একই মাঠে আবারও সেঞ্চুরি হাঁকালেন বাংলাদেশের বিপক্ষে। খেললেন ৭৭ বলে ১১৩ রানের ইনিংস।

লিচফিল্ডও কম যাননি এদিন। তাঁর ব্যাট থেকে এসেছে ৭২ বলে অপরাজিত ৮৪ রানের ইনিংস। দুজনের অবিচ্ছেদ্য জুটিতে ১৯৯ রানের লক্ষ্যমাত্রা মাত্র ২৪.৫ ওভারেই টপকে যায় অস্ট্রেলিয়া। বাংলাদেশের বোলাররা পাননি কোনো উইকেটের দেখা।

অবশ্য প্রতিপক্ষ যেখানে অস্ট্রেলিয়া, সেখানে কি-ইবা করার ছিল বাংলাদেশের মেয়েদের। সেই সাথে টানা চার ম্যাচ হেরে বাংলাদেশের আত্মবিশ্বাস ঠেকেছে একেবারেই তলানিতে। পাকিস্তানকে হারিয়ে শুরুটা যেভাবে করেছিলেন জ্যোতিরা, সেই ধারাবাহিকতা দেখা যায়নি আর।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link