সালমানকে উপেক্ষা করার সময় শেষ!

শাহিন শাহ আফ্রিদির জায়গায় ফিরেই বাজিমাত করলেন সালমান মির্জা। টপ অর্ডার ভাঙার জন্য যে দায়িত্ব তিনি পেয়েছিলেন তা কাজে লাগালেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে। বুঝিয়ে দিলেন তাঁকে বিকল্প ভেবে উপেক্ষা করার সময় শেষ।

শাহিন শাহ আফ্রিদির জায়গায় ফিরেই বাজিমাত করলেন সালমান মির্জা। টপ অর্ডার ভাঙার জন্য যে দায়িত্ব তিনি পেয়েছিলেন তা কাজে লাগালেন পুঙ্খানুপুঙ্খভাবে। বুঝিয়ে দিলেন তাঁকে বিকল্প ভেবে উপেক্ষা করার সময় শেষ।

দীর্ঘদিন ধরেই পাকিস্তানের শুরুর বোলিং সামলেছেন শাহিন। ইনিংসের শুরতেই উইকেট তোলাই ছিল তাঁর প্রধান কাজ। আর সেটাই তাঁকে বসিয়েছিল সেরার আসনে। তবে সময়ের পরিক্রমায় তিনি নিজেকে মেলে ধরতে পারছেন না। প্রতিপক্ষের টপ অর্ডার ভাঙার কার্যক্ষমতা আগের মতো নেই।

প্রথম চার ওভার বল করে শাহিন দিয়েছিলেন ৪৫ রান, বিপরীতে উইকেট শিকার করেছেন একটি। এমন পারফরম্যান্সে দ্বিতীয় ম্যাচে জায়গা হারিয়েছেন। আফ্রিদির দায়িত্ব তুলে দেওয়া হয় সালমানের হাতে। আর আস্থার প্রতিদান তিনি দিয়েছেন হাতে নাতে।

ইনিংসের দ্বিতীয় বলেই উইকেট তুলেছেন, ফিরিয়েছেন রেজা হেন্ড্রিকসকে। নিজের দ্বিতীয় ওভারে ফিরে এসেই শিকার করেছেন টনি ডি জর্জিকে। পাওয়ারপ্লেটে আবারও এসেছেন বল হাতে টানা তৃতীয় ওভার করার জন্য। আর এবারও সাজঘরে ফিরিয়েছেন ম্যাথু ব্রিজকিকে। আর তাতেই ধসে পড়ে দক্ষিণ আফ্রিকার ব্যাটিং অর্ডার।

শুধু উইকেট তোলা নয়, রান দেওয়াতেও সালমান ছিলেন যথেষ্ট কৃপণ। নিজের বোলিং কোটা পূরণ করে দিয়েছেন মাত্র ১৪ রান, ঝুলিতে পুরেছেন তিন খানা শিকার। প্রোটিয়ারা গুটিয়ে গেছে ১১০ রানেই।

সালমানের যাত্রাটা শুরু হয়েছিল বাংলাদেশের বিপক্ষে। তিন ম্যাচের সিরিজে সাত উইকেট নিয়েছিলেন নিজের পকেটে। তবে এশিয়া কাপের মঞ্চে তাঁকে রাখা হয়েছে স্রেফ বিকল্প হিসেবে। দক্ষিণ আফ্রিকার বিপক্ষে প্রথম ম্যাচেও জায়গা মেলেনি।

তবে সুযোগ পেয়ে আবারও দেখিয়েছেন নিজের ক্ষমতা। আফ্রিদির অপরাগতায় নিজেকে মেলে ধরেছেন সেই জায়গায়। বুঝিয়ে দিয়েছেন তাঁকে উপেক্ষা করাটা মোটেও সমীচীন নয়।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link