চামিরার বীরত্বে শ্রীলঙ্কা ফাইনালে!

দুশমন্থ চামিরা এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কাকে। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ শেষে জয়ের সুবাতাস বইল লঙ্কান শিবিরে। সেই সাথে ফাইনাল মহারণেও আরও একবার মুখোমুখি হবে এই দুই দল।

দুশমন্থ চামিরা এ যাত্রায় বাঁচিয়ে দিলেন শ্রীলঙ্কাকে। শ্বাসরুদ্ধকর ম্যাচ শেষে জয়ের সুবাতাস বইল লঙ্কান শিবিরে। সেই সাথে ফাইনাল মহারণেও আরও একবার মুখোমুখি হবে এই দুই দল।

সমীকরণটা সহজই ছিল, শ্রীলঙ্কা জিতলে ফাইনালে যাবে, অন্যথায় দুয়ার খুলে যাবে জিম্বাবুয়ের। পাকিস্তানের আমন্ত্রণে ব্যাটিং এসে পাথুম নিশাঙ্কাকে হারিয়ে শুরুটা খুব একটা ভালো হয়নি লঙ্কানদের। তবে সবকিছু সহজ করে দেন কামিল মিশারা। দায়িত্ব নিয়ে খেলেন ৭৬ রানের অনবদ্য এক ইনিংস। সেই সাথে বাকিদের চেষ্টায় লঙ্কানদের স্কোরবোর্ডে যোগ হয় ১৮৪ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নামা পাকিস্তানের লাগাম টেনে ধরেন বোলাররা। ৪৩ রানে চার উইকেট তুলে নিয়ে ম্যাচটা প্রায় পকেটে পুরে নিয়েছিল তারা। তবে বাধ সাধলেন সালমান আলী আঘা। দলকে সামনে থেকেই নেতৃত্ব দিলেন, ব্যাট হাতে হাল ধরলেন। আর তাতেই শ্রীলঙ্কার কপালে দেখা দেয় চিন্তার ভাঁজ।

বাকি পথটাও অনায়াসেই পাড়ি দিচ্ছিল পাকিস্তান। উসমান খান আর মোহাম্মদ নাওয়াজও সালমানকে যোগ্য সঙ্গ দেন। আর তাতেই হেরে যাওয়া ম্যাচকে জয়ের দ্বারপ্রান্তে নিয়ে যায় স্বাগতিকরা। তবে লঙ্কানদের ত্রাণকর্তা হয়ে তখন আবির্ভাব ঘটে চামিরার।

শেষ ওভারে ১২ রানের দরকার ছিল পাকিস্তানের। লঙ্কানদের ভাগ্যের চাবি তখন চামিরার হাতে। নিজের সবটা দিয়ে সেরা এক স্পেল করলেন যেন। হজম করলেন মোটে পাঁচ রান। দলের জয় নিশ্চিত হয়, চার ওভার হাত ঘুরিয়ে মাত্র ২০ রান খরচায় চামিরার শিকার চার উইকেট। তাই তো ম্যাচ সেরার মুকুটটা ওঠে তাঁর মাথায়। সেই সাথে জিম্বাবুয়েকে টপকে ফাইনালের টিকিটও হাতে পায় লঙ্কানরা.

Share via
Copy link