বাংলাদেশ দলের পরিকল্পনা মন্দ নয়, অবাস্তব নয়। সমস্যা হল সেটা বাস্তবায়নের জন্য পর্যাপ্ত সময় হাতে আছে কি না, সেটা ভাবনার বিষয়। শুরুর চারজন ব্যাটার ফিক্স রাখতে চায় না টিম ম্যানেজমেন্ট। বরং বাঁ-হাতি, ডান-হাতি কম্বিনেশনটা ধরে রাখার চ্যালেঞ্জ নিচ্ছে লিটন দাসের দল।
আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে সিরিজের শেষ ম্যাচে ওপেনিংয়ে ফিরলেন সাইফ হাসান। তিনি ডান হাতি ব্যাটার, সাতে ডান হাতি তানজিদ হাসান তামিম। প্রথমে সাইফ ফিরে গেলেন বলে, তাঁর জায়গায় নামলেন লাইক টু লাইক রিপ্লেসমেন্ট লিটন দাস।

বাংলাদেশের হারানো প্রথম উইকেট যদি, তানজিদ তামিমের হত সেক্ষেত্রে ক্রিজে আসতেন পারভেজ হোসেন ইমন। কারণ তামিমের মত তিনিও বাঁ-হাতি ব্যাটার। প্রথমেই বলা দরকার, এই পরিকল্পনাটা দারুণ। পরিকল্পনায় কোনো ভুল নেই। প্রতিপক্ষকে ম্যাচে সেটেল না হতে দিতে চাওয়ার ক্ষেত্রে এটা কার্যকর একটা প্রোসেস হতে পারে।
তবে, মনে রাখতে হবে ফেব্রুয়ারির বিশ্বকাপের আগে এটাই বাংলাদেশের শেষ ম্যাচ। তাই, পরিকল্পনা বাস্তবায়ন কিংবা এর লুপ হোল খুঁজে বের করতে খুব বেশি একটা সময় পাচ্ছে না বাংলাদেশ দল। বিশ্বকাপের ময়দানে এই পরিকল্পনা কাজে লাগানো যাবে কি না, সেটা তাই প্রশ্ন করাই যায়। আর বিশ্বকাপের মঞ্চে রোজ রোজ তো আর আয়ারল্যান্ডের মত প্রতিপক্ষ পাওয়া যাবে না।

আয়ারল্যান্ডের বিপক্ষে এদিন চার নম্বরে ব্যাট করেছেন ইমন। তিনি মূলত ওপেনার। তিনি পাওয়ার প্লে’র ভেতরে ব্যাটিং করে অভ্যস্ত। কোয়ালিটি বোলিংয়ের বিপক্ষে তাকে বিশ্বকাপের মত চাপের মঞ্চে যদি চার নম্বরে ছেড়ে দেওয়া হয়, তাহলে তিনি কেমন করবেন, সেটা বলা যাচ্ছে না, সব মিলিয়ে বাংলাদেশের পরিকল্পনায় ভুল না থাকলেও আছে আকাশসমান ঝুঁকি।










