সেমিফাইনালেই থেমে গেল বাংলাদেশের যুবাদের শিরোপা জয়ের স্বপ্ন। পাকিস্তানের বিপক্ষে রীতিমত মুখ থুবড়ে পড়েছে আজিজুল হাকিম তামিমের দল। ৮ উইকেটের বড় পরাজয় নিয়ে বাড়ির পথে টানা দুই বারের যুব এশিয়া কাপ চ্যাম্পিয়নরা।
বৃষ্টি বিঘ্নিত ম্যাচ নেমে আসে ২৭ ওভারে। টসে হেরে বাংলাদেশ প্রথমে ব্যাটিং করতে নামে। আর গণ্ডগোলের শুরু সেখান থেকেই। এবারের পুরো এশিয়া কাপ যাত্রায়, বাংলাদেশ নির্ভরশীল ছিল দুই ওপেনারের উপরে। কিন্তু দুই ওপেনারের দ্রুত বিদায়ের পর যেন অথৈ সাগরে পড়ে যায় বাংলাদেশের ব্যাটিং ইউনিট।
বেশ কয়েকটি নো বল থেকে প্রাপ্ত ফ্রি-হিটও কাজে লাগাতে পারেননি বাংলাদেশের ব্যাটাররা। বৃষ্টির পরে উইকেটের আচরণ ঠিক ধরতে পারেননি তামিমরা। অন্যদিকে তীব্র বাতাস ও উইকেট থেকে প্রাপ্ত আর্দ্রতা কাজে লাগিয়ে পাকিস্তানের পেস ইউনিট নিজেদের মুন্সিয়ানা দেখাতে শুরু করে।

যার ফলশ্রুতিতে স্রেফ তিনজন বাংলাদেশি ব্যাটার দুই অঙ্কের রান নিজেদের নামের পাশে যুক্ত করতে পেরেছেন। যার মধ্যে সর্বোচ্চ ৩৭ বলে ৩৩ রান এসেছে সামিউন বশিরের ব্যাট থেকে। তাতে করে বাংলাদেশে পুঁজি দাঁড়ায় স্রেফ ১২০ রানের। এই স্বল্প পুঁজি ডিফেন্ড করা চাট্টিখানি কথা নয়।
তবুও ইকবাল হোসেন ইমন প্রথম ওভারেই উইকেট তুলে নিয়ে লড়াই করবার আভাস দেন। কিন্তু ছোট্ট লক্ষ্যমাত্রার পাকিস্তানি ব্যাটারদের দমিয়ে রাখা ভীষণ কঠিন হয়ে দাঁড়ায়। প্রতিপক্ষ যুবারা একটা বিষয়ে পরিষ্কার হয়ে যায়, এই উইকেটে বল হজম করবার সুযোগ নেই। জিততে হলে হতে হবে আগ্রাসন।
সেই ভাবনাতে উজ্জীবিত সামির মিনহাস আগ্রাসী ব্যাটিং করতে শুরু করেন। শেষ অবধি তার খেলা ৬৯বলে ৫৭ রানের অপরাজিত ইনিংসের কল্যাণে সহজ জয় তুলে নেয় পাকিস্তান। আর সেখানেই থেমে যায় বাংলাদেশী যুব দলের জয়রথ। টানা দুইবারের শিরোপাজয়ী ও গ্রুপ চ্যাম্পিয়ন দলটা সেমিফাইনালে মুখ থুবড়ে পড়ে। তাতে করে এখনও অবধি, অক্ষত রয়ে গেল ভারতের টানা তিনি এশিয়া কাপ জয়।












