ঢাকার দুর্বিষহ স্মৃতি রোমন্থনের পথে নোয়াখালী!

পরাজয়ের এই ধারার সাথে নোয়াখালীর বাকি খেলোয়াড়রা খুব একটা পরিচিত হয়ত নন। কিন্তু দলের হেডকোচ খালেদ মাহমুদ সুজন কিন্তু বেশ সুপরিচিত।

নিজেদের প্রথম দুই ম্যাচের দুইটিই হেরেছে নোয়াখালী এক্সপ্রেস। পরাজয়ের এই ধারার সাথে নোয়াখালীর বাকি খেলোয়াড়রা খুব একটা পরিচিত হয়ত নন। কিন্তু দলের হেডকোচ খালেদ মাহমুদ সুজন কিন্তু বেশ সুপরিচিত। গত মৌসুমে তিনি একটানা পরাজয়ের দুবির্ষহ স্মৃতি তৈরি করে ফেলেছিলেন।

গতবার খালেদ মাহমুদ সুজন ছিলেন ঢাকা ক্যাপিটালসের ডাগআউটে। বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের(বিপিএল) একাদশ আসরে, রাজধানীর প্রতিনিধিরা টুর্নামেন্ট শেষ করেছিল টেবিলের তলানিতে থেকে। ১২ ম্যাচের মধ্যে স্রেফ তিনটি ম্যাচে জয়ের দেখা পেয়েছিল ঢাকা ক্যাপিটালস।

তবে প্রথম জয় পেতে অপেক্ষা করতে হয়েছে পাক্কা ছয় ম্যাচ। রংপুর রাইডার্সের বিপক্ষে ম্যাচ দিয়ে শুরু হয়েছিল একাদশ বিপিএলে ঢাকা ক্যাপিটালসের যাত্রা। প্রথম ম্যাচে তারা ৪০ রানের ব্যবধানে পরাজিত হয়। সেই ধারার সমাপ্তি ঘটে দুর্বার রাজশাহীর বিপক্ষে। এর আগে মোট ছয়টি পরাজয় লেখা হয়ে যায় ঢাকার নামের পাশে।

আর এই পুরোটা সময়জুড়ে ভীষণ ধুকেছে ঢাকা ক্যাপিটালস। প্রতিটা ম্যাচ তারা হেরেছে বড় বড় ব্যবধানে। কিন্তু দলের ডাগআউটে থাকা মাস্টারমাইন্ড, খালেদ মাহমদু সুজন ছিলেন একেবারেই নিষ্ক্রিয়। তিনি ছিলেন রীতিমত নিরুত্তর। দলকে জয়ের রাস্তায় ফেরাতে নানা কাঠখড় পোড়াতে হয়েছিল সুজনকে।

তবে যতক্ষণে ঘুরে দাঁড়ানো শুরু করছিলেন, ততক্ষণে সব আশা ধূলিসাৎ। এরপর অবশ্য বাকি থাকা ছয় ম্যাচের, তিনটিও হেরেছিল ঢাকা। গতবারের ঢাকা ক্যাপিটালস দলটার শক্তিমত্তা নেহায়েত মন্দ ছিল না। তবুও ভরাডুবি হয়েছিল সুজন ও তার দলের। সেদিক থেকে নোয়াখালীর বর্তমান দলটা চ্যাম্পিয়ন হওয়ার মত নয়, এই দাবি করেছেন খোদ সুজন নিজেই।

অতএব এবার সুজনের চ্যালেঞ্জটা আরও বেশি। দলের প্রতিটা খেলোয়াড়কে এক সুতোয় গাঁথতে হবে। পুতুল নাচের কলকাঠি তার সঠিকভাবে পরিচালনা করতে হবে। নতুবা আবারও লজ্জার রেকর্ড হবে সুজনের সঙ্গী।

লেখক পরিচিতি

রাকিব হোসেন রুম্মান

কর্পোরেট কেরানি না হয়ে, সৃষ্টি সুখের উল্লাসে ভাসতে চেয়েছিলাম..

Share via
Copy link