শ্রীলঙ্কার ঘরের মাঠে দাপট দেখাল পাকিস্তান!

ফিরে এলেন পুরনো শাদাব খান, আবরার আহমেদ বোঝালেন তিনিই দলের তুরুপের তাস, সঙ্গে পেস আক্রমণে সালমান মির্জার আগ্রাসনের সামনে অসহায় হলো শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপের আগাম প্রস্তুতির শুরুটা তাদের জন্য সুখকর হলো না। ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে ছয় উইকেটের জয় তুলে নিল পাকিস্তান।

ফিরে এলেন পুরনো শাদাব খান, আবরার আহমেদ বোঝালেন তিনিই দলের তুরুপের তাস, সঙ্গে পেস আক্রমণে সালমান মির্জার আগ্রাসনের সামনে অসহায় হলো শ্রীলঙ্কা। বিশ্বকাপের আগাম প্রস্তুতির শুরুটা তাদের জন্য সুখকর হলো না। ব্যাটে-বলে দাপট দেখিয়ে ছয় উইকেটের জয় তুলে নিল পাকিস্তান।

এদিন আগে ব্যাট করতে নামা শ্রীলঙ্কাকে শুরুতেই ধসিয়ে দেয় পাকিস্তানের বোলাররা। দিশেহারা ব্যাটাররা ব্যস্ত হয়ে পড়েন আসা-যাওয়ার মিছিলে যোগ দিতে। শুরুর দিকে সালমান মির্জার আক্রমণ, মিডল ওভারে আবরার-শাদাবদের টুঁটি চেপে ধরা বোলিংয়ের জবাব ছিল না লঙ্কান ব্যাটারদের কাছে।

৭২ রানে পাঁচ উইকেট হারিয়ে তখন দিশেহারা শ্রীলঙ্কা। পুরনো শাদাবের শক্তিশালী রূপে ফিরে আসা, আবরারের ঘূর্ণি জাদুতে একেবারেই কোণঠাসা তারা। যখনই কোনো ব্যাটার মাথাচাড়া দিয়ে উঠেছে, তখনই ছেঁটে ফেলা হয়েছে। শেষদিকে লিয়ানাগের ৪০ রানের ইনিংস কিছুটা মান বাঁচায় লঙ্কানদের। কোনোমতে স্কোরবোর্ডে আসে ১২৮ রান।

জবাবে ব্যাট করতে নেমে ডাম্বুলায় তাণ্ডব চালান পাকিস্তানের দুই ওপেনার সায়িম আইয়ুব এবং শাহিবজাদা ফারহান। ওই জুটি থেকেই আসে ৫৯ রান। ম্যাচের গতিপথ নির্ধারণ হয়ে যায় তখনই। লঙ্কানদের জন্য একটুও আশার আলো জ্বলেনি।

ফারহান ফিফটি তুলে নেন। তবে এরপরই সাজঘরে ফিরতে হয় তাঁকে। ফখর জামান, সালমান আলীরাও শেষ করে আসতে ব্যর্থ হন। যদিও তাতে খুব একটা ক্ষতি হয়নি। শাদাব-উসমানদের কাঁধে চেপে ছয় উইকেট হাতে রেখেই জয়ের বন্দরে পৌঁছায় পাকিস্তান।

বিশ্বকাপের পূর্ব প্রস্তুতি আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে শুরু করল পাকিস্তান। ঘরের মাঠে লঙ্কানরা হারের স্বাদ নিয়েই শুরু করল টি-টোয়েন্টি সিরিজ। কিছুদিন বাদেই এখানেই পরীক্ষা দিতে হবে দলগুলোকে। তার আগে পাকিস্তানের টেস্ট পরীক্ষাটা শুরু হলো ভালোভাবেই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link