প্রত্যাশিতভাবেই রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স উঠেছে দ্বাদশ বাংলাদেশ প্রিমিয়ার লিগের ফাইনালে। অন্যদিকে চট্টগ্রাম রয়্যালসের ফাইনালে পৌঁছানো এক প্রকার বিস্ময়কর ঘটনা বটে। কিন্তু ফাইনালের আগে শিরোপা জয়ের দাবিতে চট্টগ্রামের পাল্লাই যে ভারি। কেননা এখন পর্যন্ত দুই দলের দেখায়, চট্টগ্রাম পেয়েছ দুই ম্যাচে জয়।
বিপিএল শুরুর দিন থেকেই রাজশাহী ওয়ারিয়ার্সকে শিরোপার দাবিদার ধরা হয়েছে। কেননা হান্নান সরকার বেশ হিসেব-নিকেশ করে দল গঠন করেছিলেন, তারুণ্য ও অভিজ্ঞতার মিশেলে দলটা ঠাসা ইম্প্যাক্টফুল খেলোয়াড়ে। অন্যদিকে সমালোচনার তীব্রতায় পিষ্ট হয়ে চট্টগ্রাম রয়্যালসের যাত্রা শুরু হয়েছিল দোলাচলের মধ্য দিয়ে।
শুরুটা দুই দলের ভিন্ন হলেও, শেষটায় তারা একই কাতারে দাঁড়িয়ে। এবারের মত শেষ মোকাবেলায় জয়ী হবে কে, সে উত্তর সময় দেবে, তবে প্রথম দেখায় জয় অবশ্য হয়েছিল চট্টগ্রামের। সিলেটে হয়েছিল লো স্কোরিং ম্যাচ। আগে ব্যাট করে ১২৮ রান অবধি পৌঁছাতে পেরেছিল রাজশাহী। সেই লক্ষ্য টপকাতে আট উইকেট পূর্ণ ২০ ওভার খরচ হয় চট্টগ্রাম রয়্যালসের।

দ্বিতীয় দেখায় অবশ্য রাজশাহী ওয়ারিয়ার্স পাল্লা সমান সমান করে নেয়। সেই ম্যাচটাও হয়েছিল লো স্কোরিং। সেবার প্রথমে ব্যাটিং করে চট্টগ্রাম রয়্যালস। দশ উইকেট হারিয়ে সর্বসাকুল্যে ১২৫ রান অবধি পৌঁছাতে সক্ষম হয় চট্টগ্রাম রয়্যালস। সেই টার্গেটে রাজশাহীর পতন ঘটে সাত উইকেটের। তিন বল আর তিন উইকেট হাতে রেখে রাজশাহী অবশ্য জয়লাভ করে ম্যাচটি।
যেহেতু এই দুই দলই ছিল টেবিল টপার, সেহেতু কোয়ালিফায়ারে মুখোমুখি হয় দুই দল। সেখানে আরও এক লো স্কোরিং থ্রিলার। এদফা জয়ী চট্টগ্রাম। ১৩৩ রানে রাজশাহী অলআউট হওয়ার পর, চট্টগ্রামের জয় নির্ধারিত হয় ইনিংসের শেষ ওভারে। ছয় উইকেট আর তিন বল বাকি থাকতে জয় পায় চট্টগ্রাম।
অতএব ফাইনালটা শুধু শিরোপার লড়াই না, এই দুই দলের মধ্যকার সুষম দ্বৈরথের একটা জম্পেশ লড়াই। ফাইনালের মঞ্চে রানের কমতি হলেও বিনোদনের কমতি হবে না নিশ্চয়ই।












