বিশ্বাকাপ না খেললে যেসব ক্ষতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশের!

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। নিজেদের এমন সিদ্ধান্তেই শেষ পর্যন্ত অনড় থাকলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি)। তবে এর প্রভাব পড়বে পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপর। বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য যেসব ক্ষতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ তা একটু খতিয়ে দেখা যাক।

টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপ খেলতে ভারতে যাবে না বাংলাদেশ। নিজেদের এমন সিদ্ধান্তেই শেষ পর্যন্ত অনড় থাকলো বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড(বিসিবি)। তবে এর প্রভাব পড়বে পুরো বাংলাদেশ ক্রিকেট ব্যবস্থার ওপর। বিশ্বকাপে না যাওয়ার জন্য যেসব ক্ষতির সম্মুখীন হবে বাংলাদেশ তা একটু খতিয়ে দেখা যাক।

সবচেয়ে বড় ধাক্কা আসবে আইসিসির বাৎসরিক রেভিনিউ শেয়ার থেকে। বিশ্বকাপের মতো মেগা ইভেন্টে অংশ না নিলে বাংলাদেশ ক্রিকেট বোর্ড বছরে প্রায় ৩০-৪০ মিলিয়ন মার্কিন ডলার হারাতে পারে, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় দাঁড়ায় আনুমানিক প্রায় ৩৫০ থেকে ৪৫০ কোটির উপরে। যা বিসিবির জন্য একটি ভয়াবহ আর্থিক ক্ষতি।

এর পাশাপাশি সরাসরি ক্ষতির তালিকায় আছে পার্টিসিপেশন ফি। বিশ্বকাপে অংশগ্রহণ বাবদ যে অর্থ পাওয়ার কথা, ফরফিট করলে সেটিও আর পাওয়া যাবে না। এই অঙ্ক প্রায় ৫ লাখ ৪৫ হাজার ৯৫০ মার্কিন ডলার, অর্থাৎ প্রায় সাত কোটির কাছাকাছি। একইভাবে টুর্নামেন্টের প্রাইজমানি থেকেও বঞ্চিত হবে বাংলাদেশ। যার পরিমাণ দাঁড়ায় ২ কোটি ৭৫ লাখের কাছাকাছি।

এখানেই শেষ নয়, আইসিসির পক্ষ থেকে আসতে পারে কঠোর শাস্তি। বিশ্বকাপ বয়কট করার কারণে বাংলাদেশকে গুনতে হতে পারে প্রায় ২০ লাখ মার্কিন ডলার জরিমানা, যা বাংলাদেশি মুদ্রায় প্রায় ২৫কোটি টাকা। অর্থনৈতিক শাস্তির পাশাপাশি আইসিসি দিতে পারে নিষেধাজ্ঞাও। ফলে ভবিষ্যতের টুর্নামেন্টে অংশগ্রহণ, সরাসরি কোয়ালিফিকেশন কিংবা বিশেষ সুবিধা থেকে বাংলাদেশকে বঞ্চিত করা হতে পারে।

এমনকি র‍্যাংকিংয়েও পড়বে প্রভাব পড়ব, নষ্ট হবে প্রতিযোগিতামূলক অবস্থান, কঠিন হয়ে উঠবে ভবিষ্যৎ বিশ্বকাপে কোয়ালিফিকেশন পথ। তবে এসব ক্ষয়ক্ষতির হিসাব ছাড়িয়ে আত্মসম্মানটাই যে বড়। যেখানে বাংলাদেশ ছাড় দিতে নারাজ।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link