মাঠের বাইরে মুস্তাফিজ দেখালেন দেশপ্রেম!

বিজ্ঞাপনে মুস্তাফিজুর রহমানকে খুব একটা দেখা যায় না। তবে দেশপ্রেমের প্রসঙ্গ এলে ভিন্ন কথা। দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে সবসময় ক্রিকেট মাঠের প্রয়োজন, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। মাঠের বাইরেও দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো যায়। ঠিক সেই ভাবনাকেই সামনে এনে এক ভিন্নধর্মী ক্যাম্পেইনে হাজির হয়েছেন কাটার মাস্টার।

বিজ্ঞাপনে মুস্তাফিজুর রহমানকে খুব একটা দেখা যায় না। তবে দেশপ্রেমের প্রসঙ্গ এলে ভিন্ন কথা। দেশের প্রতি ভালোবাসা প্রকাশ করতে সবসময় ক্রিকেট মাঠের প্রয়োজন, এমন কোনো বাধ্যবাধকতা নেই। মাঠের বাইরেও দৈনন্দিন জীবনের ছোট ছোট সিদ্ধান্তের মধ্য দিয়েই দেশপ্রেমের বহিঃপ্রকাশ ঘটানো যায়। ঠিক সেই ভাবনাকেই সামনে এনে এক ভিন্নধর্মী ক্যাম্পেইনে হাজির হয়েছেন কাটার মাস্টার।

একেবারেই সাধারণ এক নাগরিকের ভূমিকা। হাতে শপিং ট্রলি, বুকে লেখা ‘বাংলাদেশ’। চারপাশে কোনো গ্ল্যামার নেই, নেই ক্রিকেট তারকার আলাদা কোনো উপস্থিতি। মুস্তাফিজ যেন প্রতিদিনের জীবনেরই একজন মানুষ। কিছু একটা খুঁজতে দেখা যায় তাঁকে। এক পর্যায়ে না পেয়ে বিক্রয়কর্মীর কাছে জানতে চান, ‘সেনসিটিভ টুথপেস্টগুলো কোথায়, বাইরেরগুলো?’

বিক্রয়কর্মী দেখিয়ে দেন নির্দিষ্ট জায়গা। সেখানে গিয়ে কাঙ্ক্ষিত পণ্য পেয়েও যান মুস্তাফিজ। ঠিক সেই মুহূর্তেই দৃশ্যে আসেন একজন ডেন্টিস্ট। মুস্তাফিজের হাতে বিদেশি পণ্য দেখে প্রশ্ন ছুড়ে দেন, ‘বুকে বাংলাদেশ আর হাতে বিদেশি?’

প্রশ্নের জবাবে মুস্তাফিজ পাল্টা জানতে চান, ‘দেশে কি ভালো মানের সেনসিটিভ টুথপেস্ট আছে নাকি?’ মুহূর্তের মধ্যেই ডেন্টিস্ট শেলফ থেকে তুলে ধরেন দেশীয় প্রতিষ্ঠান স্কয়ারের হোয়াইট প্লাস প্রো সেনসিটিভ টুথপেস্ট। এরপর আর কোনো দ্বিধা না করেই মুস্তাফিজ নিজের ট্রলিতে সেটিই তুলে নেন। এরপরই ক্যাম্পেইনের মূল বার্তাটা স্পষ্ট হয়ে ওঠে। মুস্তাফিজ বলেন, ‘মাঠের বাইরেও তো আমরা এভাবেই দেশপ্রেম দেখাতে পারি।’

ক্রিকেট মাঠে মুস্তাফিজ দেশের জন্য লড়েন। বল হাতে প্রতিপক্ষের স্টাম্প উপড়ে দেন, বাংলাদেশকে জয় এনে দেন। তবে ময়দানে দেশের জন্য জয় এনে দেওয়াই তো শেষ কথা নয়। আরও অনেক পন্থায় দেশের জন্য অবদান রাখা যায়। সেটা দেশীয় পণ্য ব্যবহার করেও। মুস্তাফিজ সেই বার্তাটাই দিয়ে গেলেন।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link