বিসিএলে দল না পাওয়ার আক্ষেপ যাদের!

‘খেলতে না পারাতে একটু খারাপ লাগছে, সবারই তো আসলে খেলতে ইচ্ছে করে।’ বিসিএলে দল না পেয়ে হতাশার গল্প বলছিলেন মাহফুজুর রহমান রাব্বি। চার দলের ৫৯ জনের স্কোয়াডেও তাঁর ঠাঁই মেলেনি। বিষয়টা হতাশার বইকি। তবে তিনি একা না, সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মে থাকা বেশ কিছু ক্রিকেটারের জায়গা হয়নি বিসিএলের স্কোয়াডে।

‘খেলতে না পারাতে একটু খারাপ লাগছে, সবারই তো আসলে খেলতে ইচ্ছে করে।’ বিসিএলে দল না পেয়ে হতাশার গল্প বলছিলেন মাহফুজুর রহমান রাব্বি। চার দলের ৫৯ জনের স্কোয়াডেও তাঁর ঠাঁই মেলেনি। বিষয়টা হতাশার বইকি। তবে তিনি একা না, সাম্প্রতিক সময়ে ফর্মে থাকা বেশ কিছু ক্রিকেটারের জায়গা হয়নি বিসিএলের স্কোয়াডে।

প্রিমিয়ার লিগে দারুণ সময় কাটিয়েছেন এমন কয়েকজন ব্যাটারের ছোট্ট তালিকা করলে উঠে আসবে রনি তালুকদার, মিজানুর রহমান, ইমরানুজ্জামান, রায়ান রাফসান, সাদমান ইসলাম এবং আহরার আমিন পিয়ানের নাম। ৪৫০-এর উপরে রান করেছেন। তবে তাতে কোনো লাভ হয়নি। বিসিএলের বিবেচনায় আসেননি তারা।

একটু অলরাউন্ডারের দিকে ফিরে যাওয়া যাক। তোফায়েল আহমেদ প্রিমিয়ার লিগে ২৬৯ রানের পাশাপাশি নিয়েছেন ১১ উইকেট, শেখ পারভেজ জীবনের উইকেট সংখ্যা ২১, সঙ্গে ১৬২ রান। আর মাহফুজুর রাব্বি ১৮৬ রানের পাশাপাশি উইকেট তুলেছেন ১৯টি। ভবিষ্যৎ তারকা হিসেবে এদের নাম থাকলেও জায়গা হয়নি বিসিএলে।

বোলিংয়ে দৃষ্টিপাত করলে সেই একই দশা। পেস ইউনিটে আসাদুজ্জামান পায়েল কিংবা মৃত্যুঞ্জয় চৌধুরীর মতো ক্রিকেটারদের না থাকাটা অবাক করার মতোই।

অবশ্য এখানে কিছু কারণও আছে। ২০২৭ বিশ্বকাপকে কেন্দ্র করেই যে এবারের বিসিএলে প্রস্তুতি। সেখানে আলোচনায় থাকা কিংবা ভবিষ্যৎ সম্ভাবনার কথা চিন্তা করেই খেলোয়াড়দের ডাকা হয়েছে। তবে সবটা তো নিখুঁত হলো না। বেশ কিছু ক্রিকেটার আছেন, যারা যোগ্য হয়েও ওই ৫৯-এর তালিকাভুক্ত হতে পারেননি। আফসোস তো তাই হবেই।

লেখক পরিচিতি

প্রত্যয় হক কাব্য

স্বপ্ন লেখার কি-বোর্ড

Share via
Copy link