প্যাড পরে তিনি বসে রইলেন, একদম ইনিংসের শুরু থেকে। তারপরও ব্যাটিংয়ে নামতে পারলেন না বাবর আজম। তাহলে কি ড্রেসিংরুমে অশান্ত? সালমান আলী আঘার দুই চোখের বিষ এখন বাবর আজম, যার কারণেই তাঁর ব্যাটিংয়ে নামাই হল না?
বাস্তবতা খুঁজলে এত নেতিবাচক কিছু কার্যত পাওয়া যায় না। বাবর আজমকে ব্যাটিং অর্ডার থেকে সরিয়ে ফেলাটা কার্যত পাকিস্তান দলের পরিকল্পনার অংশ। ম্যাচের সিচুয়েশন অনুযায়ী ব্যাটিং অর্ডার সাজাতে চেয়েছে পাকিস্তানের টিম ম্যানেজমেন্ট। যেখানে পাকিস্তানের কার্যত সবচেয়ে সেরা ব্যাটারের জায়গা হয়নি।
চলতি বিশ্বকাপ কিংবা এর আগে থেকেই বাবর আজমের টি-টোয়েন্টি মানসিকতা উঠছিল কাঠগড়ায়। বিশ্বকাপের ঠিক আগে থেকে তাঁকে ২০ ওভারের ক্রিকেটে চার নম্বরে নামানোর পরিকল্পনা করে পাকিস্তান। এখানে ব্যাপার হল, প্রথম তিন ব্যাটার যদি ঝড়ো শুরু করতে পারে, তাহলে সেটা ধরে না রাখলেও মিডল ওভারে রানের চাকা সচল রাখতে পারবেন বাবর আজম।

নামিবিয়ার বিপক্ষে কলম্বোতে প্রথম উইকেটে ৪০ আর দ্বিতীয় উইকেটে ৬৭ রানের জুটি গড়ে পাকিস্তান। ১০৭ রানে দ্বিতীয় উইকেট হারায় পাকিস্তান। ১৩ তম ওভারের প্রথম বলে সাজঘরে ফিরে যান সালমান আলী আঘা।
তখনই বাবর আজমের ক্রিজে আসার কথা। কিন্তু, পরিকল্পনা পাল্টে নামানো হল খাঁজা নাফেকে, বিশ্বকাপে প্রথমবারের মত ব্যাটিংয়ে আসলেন। নাফে পাঁচ বলে পাঁচ রান করেন। কিন্তু, পাকিস্তানের উদ্দেশ্য ছিল পরিস্কার, যে করেই হোক রান রেট বাড়াতে হবে। সেদিক থেকে, বাবর আজমকে ব্যাটিংয়ে না পাঠানোর সিদ্ধান্তকে ইতিবাচকই বলা যায়।
তাই নাফে আউট হয়ে গেলেও বাবর নয়, ক্রিজে আসলেন শাদাব খান। শাদাব শেষ পর্যন্ত ২২ বল খেলে ৩৬ রান করে অপরাজিত থাকেন। পাকিস্তান বোর্ডে ১৯৯ রান জমা করে। কে জানে, চার নম্বরে বাবর আজম খেলতে নামলে হয়তো প্রতিপক্ষের রান তাড়ার জন্য ২০০ রান দিতে পারত না পাকিস্তান!











