শেষমেষ রেহাই পেল পাকিস্তান। বিশ্বকাপ থেকে বিদায় বললেও সান্ত্বনা সূচক পাঁচ রানের জয় আদায় করে নিল শেষবেলায়। সেই সঙ্গে টি-টোয়েন্টি বিশ্বকাপের যাত্রা সুপার এইটেই সমাপ্ত হলো পাকিস্তানের। শেষ সমীকরণ আর মেলানো হলো সালমান আলী আঘাদের।
বাঁচা-মরার ম্যাচে টস ভাগ্য সহায় হয়নি পাকিস্তানের। আগে ব্যাট করতে নেমে বড় লক্ষ্যের দিকে তাই ঝুঁকতে হতো। তবে শুরু থেকেই সে পথেই হাঁটছিল পাকিস্তান। ফখর জামান আর শাহিবজাদা ফারহান মিলে পাকিস্তানের সেমির পথ মসৃণ করতে থাকেন।
ওপেনিং জুটি থেকেই আসে ১৭৬ রান। রীতিমতো অবিশ্বাস্য সমীকরণ মেলানোর সমস্ত প্রস্তুতিই সেরে ফেলছিল তারা। তবে এরপরই শুরু হয় ছন্দপতন। ফখর জামানের ৮৪ আর শাহিবজাদা ফারহানের সেঞ্চুরি হলেও শেষমেষ পাকিস্তানের স্কোরবোর্ডে আসে ২১২ রান। মাঝের সময়টাতে ৩৬ রান তুলতেই হারিয়ে বসে আট ব্যাটারকে। সেই সঙ্গে সম্ভাবনাটাও যে কমে আসে।

শ্রীলঙ্কার জিততে হলে চায় ২১৩ রান। তবে এই হিসাব ছাপিয়ে বড় হয়ে ওঠে পাকিস্তানের সেমির সম্ভাবনা। ১৪৭ রানের মধ্যেই যে আটকাতে হবে লঙ্কানদের, তবেই হাতে উঠবে সেমির টিকিট।
উপায় একটাই, শুরু থেকেই চাপ প্রয়োগ করতে হবে প্রতিপক্ষের ওপর, উইকেট তুলে নিতে হবে যত দ্রুত সম্ভব। আট রানে পাথুম নিশাঙ্কাকে তুলে নেন নাসিম শাহ। স্বস্তির হাসি ফুঁটে ওঠে পাকিস্তান শিবিরে। সময়ের সঙ্গে অবশ্য ঘুরে দাঁড়াতে শুরু করে শ্রীলঙ্কা। একটু একটু করে স্বপ্নের শেষ দেখতে শুরু করে পাকিস্তান।
পভন রত্নায়েকে সবচেয়ে বড় বাধা হয়ে আসেন। ফিফটি তুলে নিশ্চিত করেন পাকিস্তানের বিদায়। তবে একটা জয় নিয়েই শেষ করার সুযোগ ছিল পাকিস্তানের সামনে। তবে শানাকার ৭৬ রানের ঝড়ে সেটাও একপ্রকার হাতছাড়া হয়ে যাচ্ছিল। তবে একেবারেই খালি হাতে পাকিস্তানকে ফেরালেন না বিধাতা। পাঁচ রানের জয় নিয়েই বাড়ি ফিরতে পারল পাকিস্তান।











